গাইবান্ধা সদর উপজেলার তুলসীঘাট বাজারে খুচরা সার, কীটনাশক ব্যবসায়ী খাজা মিয়াসহ দুই দোকানিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দোকানে অবৈধভাবে সার পাচার ও মজুদের অপরাধে এই জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ৫৪ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম বাবু।
এর আগে গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের কদমতলী এলাকায় ভ্যানসহ ৫০ কেজির ২০ বস্তা সার জব্দ করে জনতা। পরে তারা সদর উপজেলা কৃষি বিভাগকে জানালে কৃষি বিভাগ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সারগুলো জব্দ করে।
গতকাল রবিবার সকালে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল আলম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম বাবুর নেতৃত্বে সদর উপজেলার তুলসীঘাট বাজারের খুচরা সার ব্যবসায়ী খাজা মিয়া, শাহাদাত হোসেন ও নির্মল বাবুর ঘর থেকে ৩৪ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার তুলসীঘাট বাজারের খুচরা সার ব্যবসায়ী খাজা মিয়ার দোকানঘর থেকে ২০ বস্তা ডিএপি সার ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়িতে করে কামারজানি নৌবন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথে সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের কদমতলী নামক স্থানে পৌঁছালে সারবাহী ভ্যানগাড়িটি দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।
এ সময় ভ্যানে ঢেকে রাখা সারগুলোর বিক্রির রসিদ দেখাতে না পারলে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক বিষয়টি কৃষি কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে ২০ বস্তা সার জব্দ করে খোলাহাটি ইউনিয়ন পরিষদের জিম্মায় রাখেন।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বাবু বলেন, গত শনিবার রাতে অবৈধভাবে পাচারের সময় ২০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
রাত হওয়ায় জব্দ সার খোলাহাটি ইউনিয়ন পরিষদের জিম্মায় রাখা হয়। গতকাল রবিবার সকালে সার পাচারে জড়িত খাজা মিয়াসহ দুই খুচরা সার ব্যবসায়ীর ঘর থেকে ৩৪ বস্তা ডিএপি সার জব্দ ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ ৫৪ বস্তা সার নিলামে বিক্রি করে সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হবে।