২০০৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল লিওনেল মেসির। কিন্তু খেলতে নামার মাত্র ৪৭ সেকেন্ডের মধ্যেই মেসিকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে বসেন জার্মান রেফারি মার্কাস মর্ক। হাঙ্গেরির বিপক্ষে সেই প্রীতি ম্যাচে মেসি কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন, যে মুহূর্তটি পরে মেসির ক্যারিয়ারে স্মরণীয় হয়ে যায়।
কেবল মেসিকেই নয়, স্কালোনির ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তেও প্রভাব ফেলেছেন মর্ক। ২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগে ডেপোর্তিভো দে লা করুনা এবং পোর্তোর মধ্যে সেমিফাইনালে ভুল রেফারিংয়ে আন্দ্রাদা লাল কার্ড পান। পাশাপাশি মাউরো সিলভাকে নিষিদ্ধ করা হয়। এর প্রভাবে শেষ পর্যন্ত দল পরাজিত হয়।
মার্কাস মর্ক ছিলেন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা রেফারি। ২০০৪, ২০০৫ ও ২০০৭ সালে বিশ্বের সেরা রেফারি নির্বাচিত হয়েছিলেন। চ্যাম্পিয়নস লিগ, ইউরো কাপ ও বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তবে আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি ‘ভিলেন’ হিসেবেই পরিচিত।
রেফারিং থেকে অবসর নেবার পর মর্ক ডেন্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন, মানবিক কার্যক্রমে যুক্ত আছেন, বই লিখেছেন এবং ম্যারাথন, ট্রায়াথলন ও আলপাইন অভিযানে অংশ নিয়েছেন। তবে আর্জেন্টিনার চোখে তিনি এখনো মেসি ও স্কালোনির ক্যারিয়ারের দুই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ‘যমদূত’।