নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি শুরুতেই অস্বস্তিকর ফল পেল লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। পেরুর ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আলিয়ানজা লিমার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৩-০ গোলে হেরে যায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটি। পেরুর ‘নোচে ব্লাঙ্কিয়াজুল’ অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
আলিয়ানজা লিমার জয়ের নায়ক ছিলেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার পাওলো গেরেরো। তিনি প্রথমার্ধে দুটি গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। বিরতির পর ফেদেরিকো গিরোত্তির অ্যাসিস্টে লুইস রামোস তৃতীয় গোলটি করে ইন্টার মায়ামির হতাশা আরও বাড়ান।
শক্তিশালী একাদশ নিয়েই মাঠে নেমেছিল ইন্টার মায়ামি। নতুন মৌসুমে দলে যোগ দেওয়া দায়নে সেন্ট ক্লেয়ার ও সের্হিও রেগিলোন এই ম্যাচে অভিষেক করেন। তবে অভিজ্ঞতার পরও দলগত সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট ছিল।
৩৯তম জন্মদিনে মাঠে নামা লুইস সুয়ারেজের সামনে ম্যাচে ফিরবার সুযোগ এসেছিল, কিন্তু পরিষ্কার সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনি।
মেসির পারফরম্যান্স কেমন ছিল?
ইন্টার মায়ামির ৪-৪-২ ফরমেশনে লুইস সুয়ারেজ ও মাতেও সিলভেত্তির সঙ্গে আক্রমণভাগে ম্যাচ শুরু করেন লিওনেল মেসি। শুরু থেকেই দলের প্রধান সৃজনশীল শক্তি হিসেবে খেলায় জড়িত ছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ম্যাচে তিনি মোট ৬৪ মিনিট মাঠে ছিলেন। এরপর সুয়ারেজ ও রদ্রিগো দে পলের সঙ্গে একযোগে বদলি হন মেসি; তাদের জায়গায় নামেন ড্যানিয়েল পিন্টার, ডেভিড রুইজ ও ডেভিড আয়ালা।
খেলার বিভিন্ন মুহূর্তে আক্রমণ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন মেসি। সতীর্থরা বারবার তার পায়ে বল তুলে দিয়ে আক্রমণ শুরুর চেষ্টা করেন। ম্যাচে তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত আসে ১৭তম মিনিটে, যখন বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া একটি ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এই হার ইন্টার মায়ামির জন্য মৌসুমের শুরুতেই সতর্কবার্তা হয়ে রইল। এখন তাদের পরবর্তী প্রীতি ম্যাচ ৩১ জানুয়ারি, কলম্বিয়ার মেডেলিনে আতলেতিকো নাসিওনালের বিপক্ষে।