শিশুর নিরাপত্তা প্রকল্প আর দিবসে

ইতিমধ্যে নতুন বছরের ১ মাস অতিক্রান্ত হতে চলেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শুরু হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি। প্রকৃত অর্থে, চাকচিক্যময় প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেখতে চাই আমরা। নতুন বছরকে আমরা কেবল আবেগে নয়, বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে দেখব। বিগত সময়ে নতুন বছরেই আমরা অনেক উন্নয়নের গল্প শুনেছি নতুন প্রকল্প, নতুন পরিকল্পনা, নতুন লক্ষ্য। একই সঙ্গে আমরা দেখেছি, সাধারণ মানুষ আরও বেশি চাপে পড়ে গেছে। টিকে থাকার লড়াইকে চলমান রাখতে কর্মঘণ্টা বাড়াতে হয়েছে, বিশ্রামের সময় কমেছে, সহনশীলতার জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। আবার প্রতি বছর আমরা শিশু দিবস, নারী দিবস, মানবাধিকার দিবস পালন করে যাচ্ছি। তবু প্রশ্ন থেকে যায় এই দিবসগুলোর বাইরে সাধারণ দিনগুলোতে কি শিশু আরও নিরাপদ হচ্ছে? নারীর মর্যাদা কি আরও দৃঢ় হচ্ছে? ভিন্নমত কি আরও স্বাভাবিক হয়ে উঠছে? নতুন বছর কেবল ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর উপলক্ষ নয়, বরং এটা অতীত ও বর্তমানের হিসাব মেলানোরও সময়। কোন প্রশ্নগুলো আমরা বছরের পর বছর এড়িয়ে গেছি? কোন সমস্যাগুলোকে আমরা ‘স্বাভাবিক’ বলে এতদিন মেনে নিয়েছি? নতুন বছরের কথা উঠলেই, আমরা সাধারণত ভবিষ্যতের দিকে তাকাই। আর ভবিষ্যৎ বললেই যাদের কথা আগে আসে, তারা হলো শিশু। অথচ বাস্তবতা হলো শিশুরা কোনো দূরের আগামী নয়, তারা এই মুহূর্তের বাস্তব নাগরিক। নতুন বছরের প্রথম মাসে দাঁড়িয়ে তাই আত্মজিজ্ঞাসাটি শিশুকে ঘিরেই হওয়া উচিত এই বছরটি কি শিশুর জন্য সত্যিই নিরাপদ, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ?

শিশুর নিরাপত্তা আমাদের আলোচনায় প্রায়ই দিবসকেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। শিশু দিবসে বক্তৃতা হয়, রঙিন পোস্টার ছাপা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আবেগঘন স্ট্যাটাসে ভেসে ওঠে। কিন্তু বছরের বাকি দিনগুলোতে শিশুর জীবন যেভাবে চলে, সেই বাস্তবতা অনেক সময় আড়ালে থেকে যায়। কিংবা শিশুর প্রতি যে চরম অমর্যাদাকর আচরণ করা হয়, তাতে মানুষ শিউরে ওঠে। এ ছাড়াও বলা যায়, শহরের ব্যস্ত রাস্তা ধরে যে শিশু প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায়, গ্রামে যে শিশু কাজ আর পড়াশোনার দ্বৈত চাপে বড় হচ্ছে তাদের বাস্তবতা কি এ বছর বদলাবে? শিশু নির্যাতন, অবহেলা ও সহিংসতা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা রাষ্ট্র ব্যবস্থার একটি কাঠামোগত সমস্যা। অনেক শিশু ঘরের ভেতরেই নিরাপদ নয়, আবার অনেক শিশু রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে বা যাতায়াতের পথে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। শহরে যেমন অনিরাপদ রাস্তা ও যানবাহনের চাপ আছে, শহর থেকে দূরবর্তী জায়গায় আছে নদী, খাল, হাওর, দীর্ঘ বালুচর এবং পাহাড় কিংবা কাজের জায়গার ঝুঁকি। ছেলে ও মেয়েশিশুর অভিজ্ঞতাও এক নয়; মেয়েশিশুরা যৌন হয়রানি ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের ভয়ে বড় হয় আর ছেলেশিশুরা ‘শক্ত হতে হবে’ এই চাপ নিয়ে বেড়ে ওঠে। নতুন বছর এই বৈষম্যগুলো কমাচ্ছে, নাকি আরও স্বাভাবিক করে তুলছে,  সেই আত্মজিজ্ঞাসাও জরুরি। তা ছাড়া আমরা যেমন মেয়েশিশুদের যৌন হয়রানির বিষয়টি দেখি বা সামনে নিয়ে আসি, সেভাবে ছেলেশিশুদের প্রতি সহিংসতা বা যৌন হয়রানির ঘটনা আলোচনা করি না। এতে ছেলেশিশুরা মারাত্মক ট্রমার ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। যা তাদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে। নতুন বছরে এ প্রশ্নও জরুরি যে, ছেলেশিশুদের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ সময় নিশ্চিত করা যাচ্ছে কিনা। ডিজিটাল বাস্তবতা শিশুর জীবনে আরেকটি বড় পরিবর্তন এনেছে। শহরের অনেক শিশুর হাতে স্মার্টফোন, অনলাইন ক্লাস, গেম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রবেশাধিকার আছে। অন্যদিকে দূরবর্তী গ্রাম, চর, হাওর ও দুর্গম পাহাড়ের এবং দরিদ্র পরিবারের অনেক শিশু এখনো ইন্টারনেট, ডিভাইস কিংবা ডিজিটাল সাক্ষরতা থেকে বঞ্চিত। এই ডিজিটাল-অডিজিটাল বৈষম্য শুধু শিক্ষায় নয়, শিশুদের মানসিক বিকাশেও প্রভাব ফেলছে। একদিকে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, অনলাইন ঝুঁকি ও সাইবার বুলিং, অন্যদিকে তথ্য ও সুযোগ থেকে পুরোপুরি বাদ পড়ে যাওয়ার হতাশা দুই দিকেই শিশু এখন ঝুঁকির মুখে।

এই বাস্তবতায় নতুন বছরে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য বড় জিজ্ঞাসা হয়ে দাঁড়ায়। আমরা কি শিশুর ভয়, দুশ্চিন্তা, একাকিত্বকে গুরুত্ব দিয়ে শুনছি? নাকি ফলাফল আর আচরণের বাইরে গিয়ে তাদের অনুভূতির জায়গাটুকু উপেক্ষা করছি? একটি সমাজ তার শিশুদের শুধু বাঁচতে দেয় না সে সমাজ তাদের কথা শোনে, নিরাপত্তা দেয়, সম্মান করে। সমাজে শিশু মর্যাদা নিয়ে বেড়ে ওঠে। নতুন বছর যদি এই জায়গায় ব্যর্থ হয়, তাহলে উন্নয়নের সব দাবি অর্থহীন হয়ে পড়বে। শিশুর পরেই আসে তরুণদের কথা। কিন্তু তরুণদের সংকট বুঝতে হলে, তাদের শৈশবের অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় নিতে হয়। যে শিশু নিরাপত্তাহীনতা, বৈষম্য আর চাপের মধ্যে বড় হয়, সে তরুণ হয়ে হঠাৎ আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হয়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। নতুন বছরে তরুণরা যে অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রবেশ করছে, তার শিকড় অনেক সময় তাদের শৈশবেই রয়ে গেছে। শিক্ষা শেষ করেও চাকরির অনিশ্চয়তা, দক্ষতা আর সুযোগের ব্যবধান, শহর-গ্রামের বৈষম্য এসব ঘটনা তরুণদের জীবনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে। শহরের কিছু তরুণ আধুনিক প্রশিক্ষণ, নেটওয়ার্ক ও প্রযুক্তির সুবিধা পাচ্ছে আর বড় একটি অংশ প্রয়োজনীয় দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও সুযোগ এবং অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সমবয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে এই চাপ আরও বেশি ক্যারিয়ার গড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে সামাজিক প্রত্যাশা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন এসে যুক্ত হয়। এখানেই ভিন্নমতের প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তরুণদের প্রশ্ন করা, সন্দেহ করা, ভিন্নভাবে ভাবার মধ্যেই সমাজ এগিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু আমরা কি তাদের প্রশ্নকে স্বাগত জানাই, নাকি শৃঙ্খলার অজুহাতে নীরব থাকতে শেখাই? শিক্ষাঙ্গন, কর্মক্ষেত্র কিংবা পরিবার সব জায়গায় তরুণদের কণ্ঠস্বর কতটা গ্রহণযোগ্য, নতুন বছরে তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। শিশু ও তরুণদের বছর মানে, শুধু তাদের জন্য কিছু প্রকল্প বা দিবস নয়। এর মানে হলো নিরাপত্তা, শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য, মতপ্রকাশ আর মর্যাদাকে কেন্দ্র করে সমাজের অগ্রাধিকার নতুন করে ঠিক করা। শিশু ও তরুণদের প্রশ্ন করাকে উৎসাহিত করে অংশগ্রহণের সামাজিক সংস্কৃতি সৃষ্টি করা। নতুন বছর যদি শিশুদের ভয়মুক্ত শৈশব আর তরুণদের প্রশ্ন করার সাহস দিতে না পারে, তাহলে সেই বছর কেবল ক্যালেন্ডারের পাতাতেই নতুন থাকবে বাস্তবে নয়। নতুন মানে আরেকটা নয়, নতুন মানে পরিবর্তন, সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বদলে যাওয়া। সাধারণ মানুষের জন্য একটি বছর মানে কেবল সময়ের হিসাব নয়, এটা টিকে থাকার সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। গত বছরটিতে বাজারে নিত্যপণ্যের দামের ওঠানামা মানুষের জীবনে যে চাপ তৈরি করেছে, তা আর বিমূর্ত কোনো ধারণা নয় এটা প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা। চাল, আটা, ডাল, তেল, লবণ, পেঁয়াজ, সবজি এই মৌলিক পণ্যের দামের ওঠানামা মাসিক আয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে অনেক পরিবারকে খাবারের তালিকা ছোট করতে হয়েছে। শহরে বাসা ভাড়া গত কয়েক বছরে যেহারে বেড়েছে, তাতে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর বড় একটি অংশ আয়ের এক-তৃতীয়াংশের বেশি শুধু বাসার পেছনেই খরচ করতে বাধ্য হচ্ছে। চিকিৎসা খরচের ক্ষেত্রেও একই চিত্র একটি সাধারণ ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এখন অনেক পরিবারের জন্য বড় আকারের অর্থনৈতিক ধাক্কা। এই বাস্তবতায় নতুন বছরে প্রবেশের মুহূর্তে প্রশ্নটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে উন্নয়ন আসলে কার জন্য? উন্নয়ন যদি মানুষের জীবনকে সহজ না করে, বরং তাকে আরও টানাপড়েন, আরও অনিশ্চিত করে তোলে, তাহলে সেই উন্নয়ন কতটা মানুষের?

সাধারণ মানুষের জীবনে ভিন্নমত প্রকাশের জায়গাটিও ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে কিনা, তা নতুন বছরে ভাবার মতো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা কি সত্যি ভিন্নমত সহ্য করতে শিখছি? নাকি ভিন্ন মতামতকে আমরা হুমকি হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটু ভিন্ন কথা বললেই যে আক্রমণাত্মক মন্তব্য, বিদ্রূপ বা ব্যক্তিগত আঘাত নেমে আসে তা এখন পরিচিত দৃশ্য হয়ে গেছে। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিসের আলোচনাতেও দেখা যায় ভিন্নমত মানেই তর্ক, বিভাজন আর সম্পর্কের অবনতি। একটি সুস্থ সমাজের জন্য ভিন্নমত শক্তি এটি নতুন কোনো কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে সাধারণ মানুষ, যিনি প্রতিদিন জীবনের নানা চাপে জর্জরিত, তার জন্য ভিন্নমত প্রকাশ করা এখন বাড়তি ঝুঁকি হয়ে উঠছে। চাকরি, সামাজিক সম্পর্ক বা নিরাপত্তা হারানোর ভয় অনেককেই চুপ থাকতে শেখাচ্ছে। এই নীরবতা কোনো স্থিতিশীলতার লক্ষণ নয়, বরং এটা এক ধরনের চাপা অসন্তোষের ইঙ্গিত। উন্নয়ন প্রকল্পের উদাহরণ এখানে প্রাসঙ্গিক হবে বলে মনে করছি। নতুন সড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার কিংবা দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামোর ছবি আমরা দেখেছি। আড়ম্বরপূর্ণ তার উদ্বোধনের ছবিও দেখেছি। উদ্বোধনের দিন আলোচনায় থাকে সাফল্যের ভাষা। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে সেই উন্নয়ন কতটা স্বস্তি এনেছে? প্রতিদিন কর্মস্থলে যেতে যে মানুষ দুই থেকে তিন ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকে, তার সময়ের মূল্য কোথায় বিবেচিত হচ্ছে? দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, পর্যাপ্ত বিশ্রমের অভাব এই চাপগুলো কি কমছে, নাকি উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আরও বেড়েছে? এই প্রশ্ন জরুরি। যদি উন্নয়ন মানুষের মর্যাদাকে নিশ্চিত না করে, যদি তা মানুষের সময়, স্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা ও মানসিক স্বস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তবে উন্নয়ন কেবল উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর যন্ত্রে পরিণত হয়। তখন নতুন বছরের উন্নয়ন-উচ্ছ্বাস সাধারণ মানুষের কাছে আশার গল্প নয়, বরং আরও কঠিন এক বছরের পূর্বাভাস হয়ে দাঁড়ায়।

নতুন বছর এলেই রাষ্ট্রের পরিকল্পনা, বাজেট, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি সামনে আসে। কিন্তু রাষ্ট্র ও সমাজের দায় কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ নয়। প্রশ্ন হলো এই পরিকল্পনাগুলো মানুষের জীবনে কতটা মর্যাদা নিশ্চিত করছে? উন্নয়ন কি মানুষের জীবনকে সহজ করছে, নাকি চাপ বাড়াচ্ছে? ভিন্নমত সহ্য করার প্রশ্নটি এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের শক্তি তার সহনশীলতায়। মত প্রকাশের জায়গা যত সংকুচিত হয়ে যাবে, সমাজ তত ভঙ্গুর হয়ে পড়বে। নতুন বছরে আমাদের ভাবতে হবে আমরা কি এমন একটি সমাজ গড়ে তুলছি, যেখানে মুক্তভাবে প্রশ্ন করা যাবে, ভিন্নভাবে ভাবা যাবে, ভুল ধরিয়ে দেওয়া যাবে? শিশুর নিরাপত্তা, তরুণের সম্ভাবনা, সাধারণ মানুষের মর্যাদা এই তিন বিষয় একসূত্রে বাঁধা। রাষ্ট্র যদি শিশুর নিরাপত্তাকে কেবল প্রকল্প আর দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে, তাহলে দায় এড়ানো হয়। যদি উন্নয়ন মানুষের জীবনে স্বস্তি না আনে, তাহলে সেই উন্নয়ন অসম্পূর্ণ। নতুন বছর কোনো জাদুর কাঠি নয়। এটা একটি সুযোগ নিজেদের দিকে তাকানোর, প্রশ্ন করার, দায় নেওয়ার। আমরা কি সত্যিই ভিন্নমত সহ্য করতে শিখছি? শিশুদের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত হচ্ছে, নাকি চাপ বাড়াচ্ছে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নতুন বছর নিজে থেকে দেবে না। উত্তর আমাদেরই তৈরি করতে হবে ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্র হিসেবে।

লেখক: চাইল্ড কেয়ার, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এডুকেশন কনসালট্যান্ট, ইউনিসেফ

dipumahmud1971@gmail.com