বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম ১১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও সমুদ্র অঞ্চল আন্তর্জাতিক ট্রেডিং পোর্টে পরিণত হবে। এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, আমাদের আশেপাশে যত দেশ আছে সবগুলোর সাথে এখান থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হবে। এই অঞ্চল হবে সবার ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ব্যবসা-বাণিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে উঠবে। এটিও শুধু বাংলাদেশের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে নিজ নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে আগামীতে বিএনপির দেশ পরিচালনার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, এই অঞ্চল সারাদেশের ট্রেডিং পোস্ট হিসেবে এবং ম্যানুফ্যাক্চারিং সেন্টার হিসেবে পরিচালিত হবে। শিল্প-কারখানা, রপ্তানি-আমদানি, উৎপাদন ও বিতরণ সব কিছুরই কেন্দ্রবিন্দু হবে চট্টগ্রাম। সুতরাং আলাদা করে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার কোনো দরকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত হবে। এর ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরের সুবিধা এটিকে স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আমীর খসরু বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়, এটি গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকতে হবে। অযথা হৈ-হুল্লোড় করা যাবে না। রাজনীতির ধরন এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এখন আর জোরে চিৎকার করে বা মিছিল করে মানুষকে আকৃষ্ট করার দিন নেই। সবাইকে সরাসরি মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের সাথে কথা বলতে হবে। মানুষের কাছে বিএনপির দেশ পরিচালনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জনকল্যাণমুখী নীতি-পরিকল্পনা পৌঁছে দিতে হবে।
এদিন তিনি ৩৬ নং গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের বন্দর নিমতলা খালপাড় থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পূর্ব নিমতলা, পশ্চিম নিমতলা হয়ে সিডিএ ৯ নং ব্রিজ, রোহিঙ্গা পাড়া, হিন্দু পাড়া ৩ নং ফকিরহাট, পশ্চিম গোসাইলডাঙ্গা এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এসময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, যুবক, নারী, বৃদ্ধ ও সাধারণ ভোটার স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার গণসংযোগে যোগ দেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক কাজী বেলাল, সদস্য মোঃ মুছা, মোঃ সবুর, বিএনপি নেতা জাহিদ হাসান, নুরুল আমিন, মো. হারুন, হুমায়ুন কবির সোহেল, আবু সাঈদ হারুন, মো. শাহজাহান, মো. নেজাম উদ্দিন সহ প্রমুখ।