ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দারুণ প্রত্যাবর্তনে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হুগো একিতিকে। এছাড়া ফ্লোরিয়ান উইর্টজ ও ইব্রাহিমা কন্তে একটি করে গোল করেন।
অ্যানফিল্ডে ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। প্রথমার্ধে নিউক্যাসল তুলনামূলকভাবে বেশি সংগঠিত ও কার্যকর ফুটবল উপহার দেয়। দ্রুত গতির আক্রমণ ও কাউন্টার অ্যাটাকের মাধ্যমে লিভারপুলের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে তারা। এরই ফল হিসেবে ৩৬ মিনিটে এগিয়ে যায় নিউক্যাসল। জো উইলকের বাড়ানো বল থেকে সুযোগ পান অ্যান্থনি গর্ডন।
দীর্ঘ সময় পর ওপেন প্লে থেকে প্রিমিয়ার লিগে গোল পেয়ে স্বস্তি ফেরে ইংলিশ উইঙ্গারের। তবে গোল হজমের পর দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে লিভারপুল। আর্নে স্লটের শিষ্যরা ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে। মধ্যমাঠে দোমিনিক সোবোস্লাই, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও রায়ান গ্রাভেনবার্খের সমন্বয়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় স্বাগতিকরা।
৪১ মিনিটে সমতায় ফেরে লিভারপুল। গ্রাভেনবার্খের বল পেয়ে ফ্লোরিয়ান উইর্টজ নিউক্যাসলের রক্ষণভাগ ভেদ করে একিতিকের জন্য সুযোগ তৈরি করেন। কাছ থেকে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড। মাত্র দুই মিনিট পর আবারও গোল করেন একিতিকে। ডিফেন্ডার মিলোস কেরকেজের পাস পেয়ে দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। দ্রুত দুই গোল করে প্রথমার্ধেই লিভারপুলকে এগিয়ে দেন একিতিকে।
দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুল আরও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে। নিউক্যাসলও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালায়, তবে গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। ৬৭ মিনিটে লিভারপুলের ব্যবধান বাড়ান ফ্লোরিয়ান উইর্টজ। সালাহর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে নিখুঁত ফিনিশে বল জালে পাঠান জার্মান মিডফিল্ডার।
যোগ করা সময়ে ইব্রাহিমা কন্তে গোল করলে ম্যাচের ফল নিশ্চিত হয়ে যায়। কর্নার থেকে আসা বল গোলরক্ষক ঠিকমতো সামলাতে না পারায় সুযোগ কাজে লাগান ফরাসি ডিফেন্ডার। বাবার মৃত্যুর পর প্রথম ম্যাচে গোল করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কন্তে। ম্যাচজুড়ে লিভারপুল দাপট দেখিয়েছে। গোলের পাশাপাশি একাধিক সুযোগ তৈরি করে তারা। অন্যদিকে নিউক্যাসল প্রথমার্ধে ভালো খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি।