'যারা নারীদের নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়নি তারা কি করে নারীদের সম্মানের কথা বলে। তাদের দলের শীর্ষ নেতা নারীদের নিয়ে যে কটুক্তি ও অসম্মানজনক মন্তব্য করেছেন এটি জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।'
তিনি আরো বলেন, একটি দলের শীর্ষ নেতার এমন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের দেশের মানুষ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ফেনী ১ (পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী রফিকুল আলম মজনু।
মজনু আরো বলেন, আমাদের প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই আসন থেকে পরপর পাঁচবার ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে আপনারা নির্বাচিত করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া ধানের শীষ প্রতীক আপনাদের কাছে আমানত রেখে গেছেন। সে আমানত রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের। খালেদা জিয়ার সম্মান রক্ষা করা দায়িত্ব আপনাদের। আমি বেগম খালেদা জিয়ার আমানত রক্ষা করার জন্য আপনাদের কাছে এসেছি। আপনারা খালেদা জিয়ার সম্মান রক্ষার্থে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।
তিনি বলেন, আমি এই এলাকায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে কোনও খারাপ লোককে এলাকায় চেয়ারম্যান, মেম্বার হতে দেব না। আপনাদের ভোটেই চেয়ারম্যান মেম্বার প্রার্থী নির্বাচিত করব। আমি জানি এই এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন চোরাকারবার হচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমার কিছুই করার ক্ষমতা নেই। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করে দায়িত্ব দিলে এই এলাকার মাদক ও চোরাকারবার বন্ধ করে দেব এবং অবৈধ মাটি কাটার ব্যবসা বন্ধ করে দেব।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ফেনীর পরশুরাম পৌর এলাকার বাউরপাথর এলাকায় নির্বাচনী সভায় বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল আলম মজনু এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই এলাকায় খালেদা জিয়া আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। আমি তারই আমানত রক্ষা করতে এসেছি। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার সম্মান রক্ষা করুন। আমি আপনাদের পাশে ছিলাম। আমি কখনো কোনও অন্যায় করিনি। আমার দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আমি ওয়াদা করছি ভবিষ্যতেও আমার দ্বারা আপনারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।
বৃহস্পতিবার সকালে বাউর পাথরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব, পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল হালিম, সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনি, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কাজী ইউসুফ মাহফুজ, সদস্য সচিব মাহবুবুল হক মাহবুব, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুল আলম শাকিল, যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম জহির, আবুল খায়ের লিটন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতাহার হোসেন পাপরুল, বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রফিকুল আলম মজনু ভোট কারচুপির বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।