নীলফামারী-৪ সংসদীয় আসন (সৈয়দপুর-কিশোরীগঞ্জ) থেকে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সাবেক এমপি আলহাজ মো. সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় সৈয়দপুর শহরের ইকু হেরিটেজ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সারাদিন প্রচারণা শেষে রাতে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ির উদ্দেশে বের হলে জামায়াত সমর্থিত কিছু লোক ভোটারদের টাকা দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে চিৎকার করে মব সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা কার্যালয়ে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় দুটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয় এবং দলের অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মীকে মারধর করা হয়।
সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক জানান, খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়ে কোনো অবৈধ কিছু পাননি এবং এ বিষয়ে ক্লিয়ারেন্স প্রদান করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেনস্তা করা এবং নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।