সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বরে তীব্র যানজট

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারী) বিকেল থেকে ঈদের আমেজে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে উত্তরজনপদের ১৬ জেলার হাজার হাজার মানুষ। 

ফলে গাজীপুর টাঙ্গাইলের যানজট ঠেলে উত্তরাঞ্চলগামী হাজার হাজার যানবহণ এসে জড়ো হয়েছে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার হাটিকুমরুল ইন্টারএক্সরচঞ্জ এলাকায়। 

ফলে এ মহাসড়কের ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রাতে পরিবহণের চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করছেন হাটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশ। 

এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, হাইওয়ে থানায় কর্মরত সকল পুলিশ নির্বাচনী ডিউটিতে যাওয়ায় তিনি সহ ৩ জন সারাদিন এ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। 

তারপরেও বিকেল ২টার পর থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবহণের চাপ বেড়ে যাওয়ায় গোলচত্বর এলাকায় কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। 

সাড়ে ৫টার পওে তা কিছুটা কমে স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। তিনি বলেন অফিস ছুটির পরে রাতে যানবহণের চাপ আবারও বাড়তে পারে। 

তবে এ বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি। যেকোনো মূল্যে এ মহাসড়কে যারবহণ যাতে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে সে জন্য তার টিম কাজ করে যাচ্ছে। 

তিনি বলেন, যমুনা সেতু থেকে বগুড়াগামী ইন্টারএক্সচেঞ্জ লেনে কাজ শেষ না হওয়ায় এ সমস্যা হচ্ছে। এটি শেষ হলে এ সমস্যা আর থাকবে না। 

তিনি বলেন ঈদের আমেজে উত্তরের ১৬ জেলার মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা থেকে গার্মেন্টস শ্রমিক থেকে শুরু করে চাকরিজীবি মানুষ ঘরে ফিরছে। ফলে এ মহাসড়কে গাড়ির চাপও বেড়েছে। যাত্রীরা দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে হলেও ঘরে ফিরছে।

এ বিষয়ে ভোটারদের সাথে কথা বলে যানা যায়, নির্বাচন উপলে সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় তারা এবার পছন্দেও প্রার্থীকে ভোট দিতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। তারা এ সুযোগ কাজে লাগাতে পরিবহণ বিরম্বনায় পড়লেও অনেক খুশি মনেই ঘরে ফিরছে। 

অনেকে আবার বাড়তি ভাড়া নেওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিবহন শ্রমিক মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবী করেছেন। তারা বলেছেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।