লাপোর্তা-ফন্ট কাউকেই ভোট দেবেন না মেসি

বার্সেলোনার চলমান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনোভাবেই জড়াতে চান না লিওনেল মেসি। স্প্যানিশ গণমাধ্যম দিয়ারিও স্পোর্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্জেন্টাইন এই তারকা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন না এবং কোনো প্রার্থীকেও সমর্থন দেবেন না।

সোমবার জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বার্সেলোনার নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আবারও সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন লাপোর্তা। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর ফন্ট। এই নির্বাচনে ক্লাবের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সাবেক বার্সা তারকাদের অবস্থানও নির্বাচনে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। যেখানে সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, সেখানে মেসি পুরোপুরি নীরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি এই নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে প্রভাবিত করবেন না এবং ভিক্টর ফন্টসহ কারও সঙ্গেই তিনি সাক্ষাৎ করবেন না। যদিও ফন্ট আগেই জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে জিতলে মেসিকেই প্রথম ফোন করবেন তিনি।

এ ছাড়া মেসি এবারের বার্সেলোনা নির্বাচনে ভোটও দেবেন না। আগের নির্বাচনগুলোতে তিনি ভোট প্রদান ও অংশগ্রহণ করেছিলেন। সে দিক থেকে এবার তাঁর সিদ্ধান্তটি ব্যতিক্রম হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক বর্তমানে ভালো নয়। তবে সম্পর্কের অবনতি সত্ত্বেও তিনি কোনো পক্ষ নেবেন না এবং লাপোর্তার বিরুদ্ধেও প্রকাশ্যে অবস্থান নিচ্ছেন না।

মেসি সচেতনভাবেই কোনো প্রার্থীর নাম উল্লেখ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কারণ তাঁর একটি মন্তব্য বা সমর্থন পুরো নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতের কোনো নির্বাচনে মেসি আবার সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারেন। এমনকি প্রকাশ্য সমর্থন বা অন্য কোনো ভূমিকাতেও তাঁকে দেখা যেতে পারে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলা এবং ব্যক্তিগত ব্যস্ততাকেই এবারের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।