ম্যাচে প্রতিপক্ষ কানাডা এবং আরব আমিরাত, এটা জার্সিতে নাম লেখা না থাকলে দেখে বিশ্বাস করা কঠিন। মনে হবে ভারত আর পাকিস্তানের সম্মিলিত দল খেলছে, ভারতীয়রাই সংখ্যায় বেশি। কানাডা দলে রীতিমতো পাগড়ি বাঁধা শিখদের ছড়াছড়ি। ভারতের মোহালিতে জন্মানো জাসকারান সিং-এর বলে ১ রান নিলেন পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে জন্মানো মুহাম্মদ আরফান, তাতে কানাডার বিপক্ষে ৫ উইকেটে জিতল আরব আমিরাত।
দিল্লিতে টস জিতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫০ রান তোলে কানাডা। সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন হর্ষ ঠাকুর। ৩৪ রান করেন নভনীত ঢালিওয়াল। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন জুনায়েদ সিদ্দিক। আসরে দ্বিতীয় ‘ফাইফার’ দেখা গেল এই ম্যাচে, রোমারিও শেফার্ডের পর আমিরাতের জুনায়েদ। ১৫১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে নিয়মিত উইকেট হারালেও আরইয়ানশ শর্মার ৫৩ বলে ৭৪* আর সোহেইব খানের ২৯ বলে ৫১ রানের ইনিংসে খেলায় সমতা নিয়ে আসে আমিরাত। জয়সূচক রানের আগে সোহেইব ক্যাচ দিয়ে আউট হলে, আরফান এসে জয়সূচক রানটা করেন। ম্যাচের তখন ৩ বল বাকি। ম্যাচ সেরা জুনায়েদ সিদ্দিক।