বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী ৬ হাতিয়া আসনে নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির নেতা, কর্মী-সমর্থকদরে উপর হামলা, তাদের বাড়ি ঘরে লুটতরাজ, অনেক কর্মীকে খুঁজে বের করে পিঠানো, ভোট কেন্দ্র থেকে এজেন্টদেরকে বের করে নিয়ে আটক করা, বিএনপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন নোয়াখালী-৬ হাতিয়া আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তার নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলেনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রথম থেকে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড পক্ষপাতমূলক আচারণ করে আসছে। তারা বিএনপির কর্মীদের নাম ধরে ধরে মাইকিং করে খুঁজে খুঁজে নির্যাতন করেছে। তারা নির্বাচনের আগের দিন রাতে ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি করে এক ধরণের ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে। নির্বাচনের আগের দিন বুড়িরচরের একজন ইউপি সদস্যের বাড়িতে এক সভা থেকে কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে আসে। পরে অনুরোধ করার পর ছেড়ে দেয়। এতে জনমনে ভীতি তৈরি হয়।
এছাড়া তারা নির্বাচনের পরে নিঝুমদ্বীপে বিএনপি নেতাদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি করে। যুবদল নেতা মোতালেবকে পিঠিয়ে আহত করে। প্রতিটি বাজারে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তারা বিএনপির কর্মীদের নাম ধরে ধরে খোঁজে। তাদের সাথে এসময় এনসিপির কর্মীরাও সহযোগিতা করে। নৌবাহিনীর উপস্থিথিতিতে গত কয়েকদিন হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ, জাহাজমারা, চরকিং ও নলচিরাতে এনসিপির নেতাকর্মীরা বিএনপির কর্মীদের দুইশত বাড়িতে হামলা করে করে বলে অভিযোগ করেন এই নেতা।
তিনি এই বিষয়ে হাতিয়ার দায়িত্ব প্রাপ্ত নৌ- কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আলী হায়দার কে দায়ী করেন। নৌবাহিনীর এধরনের আচারণে সুযোগ পেয়ে এনসিপি কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির কর্মীদের উপর হামলা করে। তাদের হামলায় আহত অনেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ভর্তি অবস্থায় আছেন বলে জানান তিনি।
এসব বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। না হয় যেকোন পরিস্থিতির জন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৬ হাতিয়া আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারী আলা উদ্দিন রনি, উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতা কর্মীরা। এসময় সংবাদ সম্মেলনের এক পাশে বসা ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত বিএনপির ১০ জন নারী পুরুষ কর্মী