২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বগুড়া ও রাজশাহীতে মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) এর ওয়ানডে সংস্করণের টুর্নামেন্ট। নর্থ জোন, ইস্ট জোন, সাউথ জোন ও সেন্ট্রাল জোন; এই চার দলে ভাগ করা হয়েছে ক্রিকেটারদের।
একটা সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এই টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল চারদিনের ম্যাচের সংস্করণে, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানা ছিল ইস্পাহানি, ইসলামি ব্যাঙ্ক, প্রাইম ব্যাঙ্ক, ওয়ালটনের মত কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের হাতে। একে একে সব প্রতিষ্ঠানই ছেড়ে গেছে মালিকানা, তাই সব দায়িত্ব বিসিবি'রই।
২০ ফেব্রুয়ারি দলের খেলোয়াড়দের রিপোর্টিং, ২১ ও ২২ তারিখে অনুশীলন। ২৩ ফেব্রুয়ারি বগুড়ায় খেলবে নর্থজোন ও ইস্ট জোন। একই দিনে রাজশাহীতে খেলবে সেন্ট্রাল জোন ও সাউথ জোন। এরপর ২৬ তারিখে রাজশাহীতে খেলবে নর্থজোন ও সাউথ জোন, বগুড়ায় খেলবে ইস্ট জোন ও সেন্ট্রাল জোন।পয়েন্ট ভিত্তিতে শীর্ষে থাকা দুই দল খেলবে ফাইনালে, ৩ মার্চ ফাইনাল হবে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে তাসকিন আহমেদকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে আর চোটের জন্য খেলতে পারছেন না মাহমুদুল হাসান জয়। ইস্ট জোনের অধিনায়ক ইয়াসির আলি, তার সতীর্থদের মধ্যে আছেন পারভেজ হোসেন ইমন, মমিনুল হক,সাইফ উদ্দিন, তানজিম সাকিব, হাসান মাহমুদরা। নাজমুল হোসেন শান্ত'র নেতৃত্বে নর্থ জোনে খেলবেন তানজিদ তামিম, লিটন দাস, আকবর আলি, তাওহিদ হৃদয়,রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা, শেখ মেহেদি হাসানরা। সেন্ট্রাল জোনের অধিনায়ক সাইফ হাসান, তার সতীর্থদের মধ্যে আছেন নাইম শেখ, জিশান আলম,মোসাদ্দেক সৈকত,রিপন মন্ডল, মারুফ মৃধা,এবাদত হোসেনরা। সাউথ জোনে খেলবেন ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ, সৌম্য সরকার। বিপিএলে সন্দেহ তালিকায় থাকার কারণে খেলা হয়নি, তাকে নেয়া হয়নি অদম্য বাংলাদেশ টি-২০ কাপেও। তবে বিসিএলে ঠিকই সুযোগ পেয়েছেন এনামুল হক বিজয়। নুরুল হাসান সোহান, মোস্তাফিজুর রহমান, আফিফ হোসেনরাও খেলবেন সাউথ জোনে।