মা জানতো ভবিষ্যৎ বিক্রি হয়ে গেছে
মানুষ ক্ষমতাকে আকর গ্রন্থের মতোই ভালোবাসে, সে ভুলে যায় রাজনীতি চুলের জটিল বিন্যাস।
শিরোনামহীন নিষ্ঠুরতা মহিমান্বিত মানুষের কাণ্ডকীর্তি আর জানে কিছু বেঁচে থাকার ছলনা। আলোচনার বিষয়বস্তু এড়াতে রক্তের দাগ, সময় রাজা পিতৃপুরুষের কথা ভুলে করে লবণের চাষ।
আমি অতি সচ্ছল সুশীল বুদ্ধিজীবীকে তোষামোদ করতে দেখি পেশাদার ভিক্ষুকের মতো। আমাদের ঐতিহ্যবাহী থালাবাসন আসবাবপত্র মনে করিয়ে দেয় পৃথিবীর এই পরিবর্তন সময়ের আনুষ্ঠানিকতা।
স্মৃতি-হৃদয়ের পাটাতন খুলে নেয় নিষ্ঠুর শোষণে। ঠুনকো বিশ্বাসে কেটে যায় মানবজনম। বিশ্বাস আমাদের ঠকিয়েছে জীবনভর, থাকতে চেয়েছি মায়ের কোলে; তবুও নারীর ঘনিষ্ঠ হতে গিয়ে নষ্ট করি পবিত্র সম্পর্ক, মা-ই প্রথম নারী সব অপরাধ ক্ষমা করে ভালোবাসতে পারে, বিচলিত হয়েও স্নেহ করে, কালোমেঘ দেখে আঁচল দিয়ে আকাশ ঢাকে।
অফুরন্ত মেঘের কোলে অপরাজিত বিদেহী আত্মা যিশুর পিতা অগণিত মানুষের মুখে লুকিয়ে ছিল। ঈশ্বর আমাদের একটি আপেল দাও! জ্ঞান দাওনি, আপেল নিয়েই যুদ্ধ করি।
মৃত্যুর গাফিলতি কিংবা প্রত্যাশার শেষ চুম্বনে সখি চোখের জলে কিনে নিও মৃত্যুই আমাদের রেহাই দেবে, মা জানতো ভবিষ্যৎ বিক্রি হয়ে গেছে।
মানুষ, যন্ত্রণার উল্কি আঁকা ঈশ্বর
ঘুরপাক খাই সরুগলি আর কয়েকটা নির্দিষ্ট রাস্তা ধরে। অভুক্ত মানুষের ব্যস্ততায় ভুলে যাই ছাতিমের ঘ্রাণ, পৃথিবী এত বড় যে, সবটাই আমার নাগালের বাইরে। ঠোকাঠুকি করতে করতে সম্পর্কগুলোকে যুদ্ধের ময়দান। মানুষ, অলৌকিক মিথ্যা কারবারি, দাঙ্গাবাজ, দুর্বৃত্ত, ভালোবাসে রক্ত কর। দিদিমার স্থূলমাংসের স্বপ্নে উদ্ভাসিত প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, বিভোর হয়ে খুন করে। রমণীর পাছায় চেতনার পতাকা অর্ধনমিত, নর্দমায় ভেসে যায় কালের সংশপ্তক। আর খুলির ভেতর আদিম অন্ধকার লুকিয়ে আছে বলেই বজ্র-বিদ্যুৎ দেখলে ভয়ে নিরামিষ। যদিও কিছু এনার্কিস্ট জন্মায় মনুষ্য গোত্রে তাদের অন্তরআত্মা সেলাই করে ঢুকিয়ে দেয় মূল স্রোতে। সমাজ-নর্দমার স্রোত! যেখানে খুলির ক্রিয়াভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস আছে। জীর্ণ-বিদীর্ণ সময়! ফুলবাবুরা প্রাগৈতিহাসিক লাল কাঁকড়া! খুলির উপকূল জুড়ে ছোটাছুটি। মানুষ-যন্ত্রণার উল্কি আঁকা ঈশ্বর।