গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় তার দ্বিতীয় স্বামী আটক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার দ্বিতীয় স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনকে (৫২) আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (১ মার্চ) ভোররাতে পৌর এলাকার বুজরোক বোয়ালিয়া গ্রামের হীরকপাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়।

মামুন ওই গ্রামের ছামসুল আলমের ছেলে। তিনি পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর পদে চাকরি করেন।

এর আগে, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পৌর শহরের চক গোবিন্দপুর গ্রামের নিজ বাসা থেকে ওই শিক্ষিকার মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধাসহ গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় নিথর দেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল।

রুমা উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

স্থানীয়রা জানান, স্কুল শিক্ষিকা রুমা তার প্রথম স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর এক পুত্র সন্তান নিয়ে বাবার মালিকানাধীন চক গোবিন্দপুরের বাসায় থাকতেন।

পড়াশোনার কারণে তার ছেলে ঢাকায় থাকার ফলে তিনি ওই বাসায় একাই থাকতেন এবং মাঝে মধ্যে তার দ্বিতীয় স্বামী মামুনও তার সঙ্গে সেখানে থাকতো। এ ঘটনায় নিহত স্কুল শিক্ষিকার ভাই রোকনুজ্জামান রুবেল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্থানীয় থানায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আজ রবিবার সকালে নিহতর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছ। এ ঘটনায় আটক মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশের ক্রাইমসিন কাজ করছে- তবে এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।