৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার

পাঁচ বছরে সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখনন করবে সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বনমালা ধীরাশ্রম এলাকায় ও শ্রীপুরের জিয়াউর রহমানের খনন করা চৌক্কার খাল পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দখল করে মার্কেট না হয় বাড়িঘর করে। এটা সরকারের সম্পত্তি। জনসাধারণের প্রয়োজনে খাল খনন কর্মসূচিকে বৃহৎ আকারে নিয়ে গিয়ে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার অবস্থান থেকে তখন এই কাজ শুরু করে ছিলেন। আজকে যেহেতু সেই পর্যায়ে নেই, আমাদের নির্বাচনী ওয়াদা ছিল প্রতিশ্রুতি ছিল। আমরা বলেছিলাম পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখনন করব। তাই তো আমরা শপথ নেওয়ার পরদিন থেকে কাজ শুরু করেছি। এটা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতি আলোকে তার রাজনৈতিক দর্শন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর দৃশ্যমান কিছু কাজ শুরু করেছি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে দেশবাসীর কল্যাণে চোখের সামনে বেশ কিছু দৃশ্যমান বাস্তবে কাজগুলো এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এই দেশটাকে নতুনভাবে গড়া, নির্মাণ করার।

শিল্প কল কারখানার বর্জ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিল্প কল কারখানাগুলোতো ভেঙে দেওয়া যাবে না আবার বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। তবে পরিকল্পিত শিল্প কলকারখানা গড়ার এবং আগের কারখানার বর্জ্যগুলো নিষ্কাশনের স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থার পরিকল্পনার রয়েছে। সেই দায়িত্বটুকু নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি এবং নতুনভাবে আমরা যে কাজে আসলাম সেটি হলো খাল পুনঃখনন। এই চৌক্কার খালের দু’পাশে কয়েক শিল্প কারখানা আছে, সাধারণ মানুষের বাড়িঘর আছে সবকিছু মিলে এখানে যাতে পানির প্রবাহ ঠিক থাকে সাধারণ মানুষ আমরা যেন উপকার পাই সেই জন্য পুনঃখননের প্রস্তুতি নিয়েছি।

তিনি বলেন, সরকারের দৃশ্যমান কাজের অংশ হিসেবে সারা দেশে এক হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। দ্রুতই এ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশে এখন জনগণের সরকার রয়েছে।

গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি সভাপতিত্বে ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের তত্ত্বাবধায়ক অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, প্রকৌশলী সুদীপ বসাকসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।