গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মারার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি মাছ চাষীর।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগি মাছ চাষী মোন্তাজ আলী সোমবার (২ মার্চ) ১২ জনকে অভিযুক্ত করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের খুকশিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মাছ চাষী মোন্তাজ আলী উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের পোগইল গ্রামের হোসের আলীর ছেলে।
মোন্তাজ আলী জানান, তার বড় ছেলে মেহেদি হাসান সাড়ে চার একর বিস্তৃন্য পুকুরটি দেখাশোনা করে। মেহেদি হাসান প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পুকুরে গেলে তার ওপর চড়াও হন একই গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে আব্দুল ওয়ারেছ।
পূর্ব শত্রুতা ও জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে আব্দুল ওয়ারেছের নেতৃত্বে ১৪-১৫ জনের সশস্ত্র যুবক দল প্রাণ নাশের হুমকীর মুখে ঘটনাস্থল থেকে মেহেদি হাসানকে তাড়িয়ে দিয়ে পুকুরে বিষ দেন।
মেহেদি হাসান বলেন, এ ঘটনার পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে পুকুরে গিয়ে দেখি সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। শত্রুতাবশত আব্দুল ওয়ারেছ ও তার লোকজন আমাদের পুকুরে বিষ দিয়েছে। কয়েক মাস ধরে লালনপালন করা মাছগুলো বিক্রির উপযুক্ত হয়েছিল।
তবে মোবাইল ফোনে আব্দুল ওয়ারেছকে পাওয়া না গেলেও তার আপন ছোট ভাই শাহজাহান জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।