দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি। ব্যালন ডি’অর, রেকর্ড আর ট্রফিতে গড়া সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা তাদের সন্তানদের হাত ধরে এখন যেন নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।
২০২৬ সালে আলোচনার কেন্দ্রে এখন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুনিয়র ও চিরো মেসি। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের যুব টুর্নামেন্টে তাঁদের পারফরম্যান্স নতুন করে উসকে দিয়েছে ভবিষ্যতের তারকা নিয়ে আলোচনা।
১৫ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র ২০২৬ আলগার্ভ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব–১৬ দলের হয়ে নজর কাড়েন। জাপানের বিপক্ষে ৩–০ জয়ে অ্যাসিস্ট, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১–০ জয়ে শুরুর একাদশে এবং সবশেষে জার্মানিকে ৩–১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়।
অনূর্ধ্ব–১৫ ও অনূর্ধ্ব–১৬ পর্যায়ে এটি এক বছরের মধ্যে তাঁর তৃতীয় আন্তর্জাতিক ট্রফি। গোল না পেলেও ধারাবাহিকতা ও ম্যাচে প্রভাব রাখার সক্ষমতা প্রশংসিত হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ছেলের সাফল্য কাছ থেকে দেখলেন লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামি একাডেমির অনূর্ধ্ব–৮ দলে খেলছে চিরো।
ওয়েস্টন কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে দলের শিরোপা জয়ে রেখেছে অবদান। গ্যালারিতে বসে এই দৃশ্য দেখেছেন গর্বিত বাবা মেসি। চিরো ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলছে এবং ইতিমধ্যে গোল করার প্রবণতা দেখিয়েছে। একাডেমি ম্যাচে তার একটি গোল এবং অনুশীলিত উদ্যাপন ভঙ্গি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
রোনালদো ও মেসির প্রতিদ্বন্দ্বিতা একসময় মাঠে ছিল সরাসরি। এখন তা যেন ভিন্ন মহাদেশে, ভিন্ন বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে—তাদের সন্তানদের মাধ্যমে। একজন ইউরোপে জাতীয় দলের জার্সিতে শিরোপা জিতছে, আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রে একাডেমি পর্যায়ে ট্রফি তুলছে।