ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা নির্দিষ্ট সময় ধরে না খেয়ে থাকার অভ্যাস, এখন বেশ জনপ্রিয়। কিছু ধর্মে এটি নিয়মিত দেখা যায়। বিশেষ করে, ইসলাম ধর্মে নির্দিষ্ট সময়ে মাসব্যাপী রোজা রাখার বিধান রয়েছে। সম্প্রতি গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্দিষ্ট সময় না খেয়ে থাকলে শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটে। আমরা যখন নিয়মিত খাই, তখন শরীর প্রধানত গ্লুকোজ থেকে শক্তি নেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় না খেলে শরীরে জমে থাকা চর্বি ভেঙে শক্তি তৈরি করে। তখন তৈরি হয় ‘কিটোন’ নামের উপাদান। এই কিটোন মস্তিষ্কের জন্য ভালো জ¦ালানি হিসেবে কাজ করে। এতে মস্তিষ্ক আরও সতর্ক ও সক্রিয় থাকে। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করলে শরীরে ‘অটোফ্যাজি’ নামে একটি প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। সহজভাবে বললে, এটি শরীরের কোষ পরিষ্কার করার প্রাকৃতিক পদ্ধতি। পুরনো ও ক্ষতিগ্রস্ত কোষ ভেঙে নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। এতে মস্তিষ্কের কোষ উপকৃত হয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি বয়সজনিত স্মৃতিভ্রংশ বা স্নায়ুর ক্ষয়জনিত সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। নিউরোলজিস্টরা বলেন, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং সবার জন্য এক রকম কাজ করে না। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে হবে।