বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে তাদের ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)। আইআরজিসি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে তারা ইরাকের কুর্দি-অধ্যুষিত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে কুর্দিদের তিনটি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। শনিবার সকালে ওই হালমা চালানো হয় বলে আইআরজিসি জানায়। তাসনিম বার্তা সংস্থায় প্রকাশিত আইআরজিসির এক বিবৃতিতে ওই তথ্য জানানো হয়।
এদিকে ইরানে স্থল অভিযানের বিষয়ে খাবাত অর্গানাইজেশন অব ইরানিয়ান কুর্দিস্তানের মহাসচিব বাবাশেখ হোসেইনি বলেছেন, ইরাকে অবস্থান করা ইরানি কুর্দি যোদ্ধাদের ইরানের ভেতরে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা খুবই বেশি। যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। শনিবার (৭মার্চ) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানায় কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বাবাশেখের কাছে প্রশ্ন ছিল, তার যোদ্ধারা কি ইতোমধ্যে কোনো স্থল অভিযান শুরু করেছে কিনা। জবাবে বাবাশেখ বলেন, এই মুহূর্তে না। আমরা এখন কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে জড়িত নই। তবে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে আসছি এবং এখন পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূল হওয়ায় পদক্ষেপ নেওয়ার শক্ত সম্ভাবনা রয়েছে। বাবাশেখ বলেন, এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে খুব সম্ভবত আমরা স্থল অভিযান শুরু করার দিকে এগোব। তিনি বলেন, আমেরিকানরা বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের সরাসরি কোনো বৈঠক হয়নি-তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
তারা জানতে চেয়েছে, এই শাসনব্যবস্থার ব্যাপারে কী করা উচিত, কী কী উপায় আছে এবং ভবিষ্যতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি কিনা-শুধু সেই প্রেক্ষিতেই আলোচনা হয়েছে।’এক প্রশ্নের জবাবে বাবাশেখ বলেন, এখন পর্যন্ত সরাসরি যোগাযোগ হয়নি, তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে, অন্য কুর্দি ব্যক্তিদের মাধ্যমে কথা হয়েছে। যখন সময় আসবে এবং আমরা তাদের সঙ্গে দেখা করব, তখন তা অপারেশনাল ক্ষেত্রেই পরিষ্কার হবে। অবশ্যই এমন অভিযানের জন্য আমাদের অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং আধুনিক সরঞ্জাম দরকার।তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের কাছে যে সরঞ্জাম আছে তা বেশ সাধারণ ও পুরোনো। আজকের যুদ্ধ আগের চেয়ে অনেক বেশি আধুনিক, তাই এমন কিছু হলে আমরা এসব সহায়তা চাইব।