অচেনা লুক, বিচিত্র অনুভূতিতে জায়েদ খান

গত বছর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সেখানে গিয়ে ‘আমেরিকান ড্রিম’ শিরোনামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। সংগীতশিল্পী জন কবির পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে একেবারে খেটে খাওয়া সাধারণ প্রবাসী বাঙালির চরিত্রে অভিনয় করেছেন জায়েদ খান। 

 মাত্র আড়াই মিনিটের এই চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর তার অভিনয় ও অভিব্যক্তি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। দর্শকদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, জায়েদ খানকে এমনভাবে আগে দেখা যায়নি। কেউ লিখেছেন, ‘অভিনেতা জায়েদ খানকে দেখলাম, আমরা হিরো জায়েদ খানকে চাই না।” আবার কেউ লিখেছেন, “অবশেষে আমরা অভিনেতা জায়েদ খানকে পেলাম। অসাধারণ পরিবর্তন, দারুণ অভিনয়।’ 

দর্শকদের এমন ইতিবাচক সাড়ায় অভিভূত হয়েছেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘সাফল্য কার না ভালো লাগে। এত শেয়ার ও প্রশংসা দেখে সত্যিই আবেগাপ্লুত হয়েছি। আমেরিকা, কানাডা, বাংলাদেশ, লন্ডনসহ সারা বিশ্বের বাঙালিরা আমাকে যেভাবে প্রশংসা করছে, অনুভূতিটা অন্যরকম।’ 

জায়েদ খান বলেন, ‘যারা আমাকে নিয়ে ট্রল করত তাদের দোষ দেব না। তারাও নিশ্চয় আমাকে পছন্দ করে, যার কারণে আমাকে এত এটেনশন দিত। সব সমালোচনা মাথা পেতে নিয়ে আমি শুধু কাজটাকেই গুরুত্ব দিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রে এসে নিজেকে নতুনভাবে গড়ার চেষ্টা করেছি। শরীরের ওজন কমিয়েছি, যা যা দরকার সবই করেছি। যার কারণে হয়তো সাফল্য এসে ধরা দিয়েছে। এখন অভিনয়টাই আমার ধ্যান-জ্ঞান। সামনে আরও ভালো ভালো কাজ আসবে, যা দিয়ে আবারও দর্শকদের চমকে দেব। নিজের মধ্যে ভালো কাজ করার ক্ষুধা এখন অনেক বেড়ে গেছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব।’