ফুটবল ভক্তদের কাছে ১১ মার্চ একটি মজার কাকতালীয় ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। কারণ এই দিনটি ব্রাজিল তারকা নেইমার জুনিয়রের জন্য স্পেশাল। এদিন তার ছোট বোন রাফায়েলা সান্তোসের জন্মদিন।
বছরের পর বছর দেখা গেছে, এই সময়ের কাছাকাছি ম্যাচ থাকলে নেইমার প্রায়ই চোট বা নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারেন না। ভক্তরা মজা করে একে বলেন “নেইমার বার্থডে কার্স”। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
২০২৬ সালেও সেই কাকতালীয় ঘটনা আবার দেখা গেল। ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোসের হয়ে বুধবার মিরাসোলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পারবেন না নেইমার। চোটের কারণে তাকে দলের বাইরে থাকতে হচ্ছে।
নেইমার ও তার বোন রাফায়েলার সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ। নেইমার তার বোনকে সম্মান জানিয়ে শরীরে ট্যাটুও করিয়েছেন। তাই অনেক ভক্তই মজা করে বলেন, বোনের জন্মদিনের সময়টা তিনি প্রায়ই মাঠের বাইরে থাকেন। এই ঘটনাটি এতবার ঘটেছে যে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে এটি এখন এক ধরনের চলমান রসিকতা হয়ে গেছে।
তবে বাস্তবে এটি শুধু কাকতালীয়—নেইমারের চোট বা নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে তার বোনের জন্মদিনের কোনো সম্পর্ক নেই।