ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। তবে অভাবের সংসারে অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের নতুন জামা কিনে দিতে ব্যর্থ হয়। সেসব অসহায় নিম্নবিত্ত পরিবারের মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাবেক কাউন্সিলর করোনযোদ্ধা বিএনপি নেতা মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। ৫ টাকায় ৫শ' নিম্নবিত্ত পরিবারের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে তুলে দিয়েছেন ঈদের জামা।
জানা গেছে, ঈদের আনন্দ শুধু ধণীদের বা সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের মাঝেই যেন না থাকে, সেটি যেন সমাজের সকল শ্রেণীর মাঝে ছড়িয়ে পড়ে সেজন্য গত ২৩ বছর ধরে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাবেক কাউন্সিলর করোনাযোদ্ধা মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের পক্ষ থেকে।
প্রতি বছরের মত এবারো সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের সন্তানদের জন্য ৫ টাকায় ঈদের নতুন জামা কেনার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। তাদের কাছ থেকে নেয়া এই ৫ টাকা পরবর্তীতে আবার তাদের মাঝেই বিলিয়ে দেওয়া হয়। সকাল থেকে শিশুরা দলে দলে বা বাবা মাকে নিয়ে এসে উপস্থিত হন। সকলে স্টল ঘুরে নিজের পছন্দের জামা মাত্র ৫ টাকা মূল্যে কিনেন। ৫ টাকায় একেবারে নতুন ঈদের জামা পেয়ে আনন্দিত এসব শিশুরা অনেকে সেখানেই নতুন জামা পরিধান করে আনন্দ প্রকাশ করে।
ঈদে নতুন জামা পেয়ে আনন্দিত শিশুরাও। বাচ্চারা ঈদের পোশাক পাওয়ায় খুশি তাদের সাথে আসা অভিভাবকরাও। তারা জানান, আমরা গরীব মানুষ। ঈদের দিন একটু ভালমন্দ খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হয়। ঈদের কেনাকাটা করবো কোথা থেকে। বাচ্চারা ঈদ আসলে নতুন কাপড়ের বায়না ধরে, দিতে পারি না। তাই এখানে ছেলেটার জন্য একটা নতুন জামা নিতে এসেছি। আমাদের তারেক রহমান ও খোরশেদ ভাইকে মন থেকে ধন্যবাদ জানাই।
মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, অসহায় ও দুস্থদের জন্য বিএনপি রাজনীতি করে। আমাদের নেতা ও বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যেন সামর্থ্য অনুযায়ী দুস্থ ও অসহায়দের পাশে দাঁড়াই। সেই বোধ থেকেই আমাদের আজকের এই আয়োজন।
আমরা চাই সবাই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই। আমরা চাই ঈদের আনন্দ থেকে কোন শিশু যেন বঞ্চিত না হয়।