'শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবায় কোনও বাধা থাকবে না। অর্থাভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসা সংকটে কেউ পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' আজ বুধবার বিকেলে বিরামপুরে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী এবং ভিক্ষুকদের মাঝে অনুদান ও গবাদি পশু বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন একথা বলেন।
বিরামপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন তাহমিনা সুলতানা নীলা। উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদাল আল মুসা, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল মতিন।
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। নির্বাচনের আগে দেওয়া ওয়াদাগুলো বাস্তবায়নে তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার কাজ শুরু করেছে। এলাকার জনমানুষের কল্যাণে এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
ডা. জাহিদ বলেন, দারিদ্র বিমোচনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচনী ওয়াদা ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চলছে। সকলেই কার্ড পাবেন কিন্তু সুবিধাবঞ্চিতরা সুবিধা পাবেন আর যারা সুবিধা নেবেন না রাষ্ট্র তাদের অবদানকে শ্রদ্ধা জানাবেন। কৃষক কার্ড বিতরণ হবে, খাল পুনঃখনন হরে। সরকার গঠনের ১ মাস পূরণ না হতেই আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, ভিক্ষুক পুনঃবাসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের ১০০ দিন নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে। এর মাঝে কেউ যেন ভিক্ষাবৃত্তিতে আবারও যুক্ত না হতে পারে সেটি দেখভাল করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারি কর্মকর্তাদের ট্যাগ করে ব্যবস্থা নিতে বিরামপুরের ইউএনও নির্দেশনা দেন। এই ১০০ দিনের জন্য প্রতিটি ভিক্ষুককে ১০০ কেজি করে চাল বিতরণের ঘোষণা দেন।
তিনি ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক সহায়তাভোগী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং পরিবার ও সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসকে নির্দেশনা দেন। প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকবেন বলে ঘোষণা দেন।