বাগেরহাট শহরের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল না পেয়ে পাম্পের কর্মচারীকে মারধর করার অভিযোগে সুমন পাইক নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
রবিবার (২২ মার্চ) রাতে খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনের স্বত্ত্বাধিকারী মর্শিদকুলি খান বাদী হয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় সুমন পাইকসহ চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
পরে ওই রাতে সদর থানার পাশে শহীদ মিনার এলাকা থেকে যুবদণ নেতা সুমন পাইককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুমন পাইক (৪০) বাগেরহাট পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেল সংকটের কারণে সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহকদের তেল সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। গত ২০ মার্চ সন্ধ্যায় পৌর যুবদল নেতা সুমন পাইক ও তার অনুসারীরা খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল নিতে আসেন। তিনি নিয়ম ভেঙে বেশি তেল নিতে চাইলে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে বাকবিতনণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ক্ষুব্দ হয়ে সুমন ও তার অনুসারীরা দুই কর্মচারীকে বেদম মারধর করে এবং তাদের কাছে থাকা তেল বিক্রির নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। এতে পাম্পের দুই কর্মচারী গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পর ওই ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়ে পাম্পের সামনে নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রবিবার রাতে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় সুমন পাইকসহ চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শহীদুল ইসলাম শেখ জানান, অভিযোগ পেয়ে রবিবার রাতে সদর থানার পাশে শহীদ মিনার এলাকা থেকে সুমন নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সুমনকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।