নাটোরের লালপুরে বালুবাহী ট্রাকচাপায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল পৌনে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী-লালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের নবীনগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— লালপুর উপজেলার ভেল্লাবাড়িয়া এলাকার মৃত জোয়াকুল ইসলাম জোহা মাস্টারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৫০), বড়বাদকয়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে মনির (২৭) এবং ছোট বাদকয়া গ্রামের ফজলুর ছেলে বাবুল (৪০)।
আহতরা হলেন— ভেল্লাবাড়িয়া এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে রাজিবুল ইসলাম (২৬), সিদ্দিক আলীর ছেলে রাব্বি (২৫), রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মজনু (৩৫) এবং বড়বাদকয়া গ্রামের আজিতের ছেলে মিঠুন (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল পৌনে ৭টার দিকে নবীনগর এলাকায় একটি বালুবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই জাহিদুল ইসলামের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পথে চারঘাট এলাকায় মনিরের মৃত্যু হয় এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছার পর বাবুল মারা যান।
আহত রাজিবুল ইসলাম জানান, আমরা পেঁয়াজ তোলার কাজে একটি অটোরিকশা ভাড়া করে ফরিদপুর যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে নবীনগর এলাকায় পৌঁছলে একটি বালুবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাকে চাপা দেয়।
লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কাউসার বলেন, আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে পথিমধ্যে মনির ও মেডিকেলে পৌঁছার পর বাবুলের মৃত্যু হয়েছে। রাজিবুল ইসলাম বর্তমানে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।