৩৯তম জন্মদিনের কেকটা সাকিব আল হাসান কেটেছেন লন্ডনে। সেখানে তাকে কেক খাইয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক আসিফ আকবর। কিছুদিন আগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও সাকিবের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘আমরা চাই, যে মামলাগুলো হয়েছে, সেগুলো উঠিয়ে নেওয়া হোক রাষ্ট্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে। সে যেন বাংলাদেশে দ্রুত ফিরে আসতে পারে’। বিসিবিও জানিয়েছে সাকিবকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই অলরাউন্ডারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার এবং বিসিবি, দুই তরফের উদ্যোগই স্পষ্ট। তবে কবে নাগাদ সাকিব ফিরতে পারেন, ফিরলেও সেটা কত দিনের জন্য এমন অনেক প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে নানান মহলে। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন, সাকিবকে একটা সিরিজ নয় বরং ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলে চান তিনি।
প্রধান নির্বাচক হিসেবে কার্যক্রম এখনো শুরু করেননি হাবিবুল। তবে গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সঙ্গে এখনো তার সম্পৃক্ততা আছে। ঈদের ছুটির পর দাপ্তরিক কাজে বিসিবি কার্যালয়ে এসে সাবেক এই অধিনায়ক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘সাকিব ঠিক কতখানি ক্রিকেটের মধ্যে আছে, তা নিয়ে আমিও নিশ্চিত নই। সাকিব কাল এসে পরশু খেলে ফেলবে না। ওর প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। এটি কোনো ইমোশনাল জায়গা না। ও যখন ফিরবে, তখন যেন পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েই ফেরে।’ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট বলতে সবশেষ আইএলটি২০তে খেলেছেন সাকিব, এর আগে খেলেছেন টি১০। ৫০ ওভারের ম্যাচ বা প্রথম শ্রেণির ম্যাচ সাকিব খেলেন না বছর দেড়েকের বেশি হয়, ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ নিশ্চিতের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশের জন্য এই বছরটা তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ রকম সময়ে স্রেফ আনুষ্ঠানিক বিদায়ের মঞ্চ হিসেবে জাতীয় দলে সাকিবের ক্ষণিকের উপস্থিতি দেখতে চান না হাবিবুল, ‘সাকিবের সার্ভিস নিতে পারলে দল অবশ্যই উপকৃত হবে। আমি চাই সে লম্বা সময়ের জন্য আসুক। আমার মনে হয় সাকিবের আরও দুই বছর খেলার সামর্থ্য আছে। আমাদের পরিকল্পনা এমন হওয়া উচিত যেন সে অন্তত ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলে যেতে পারে।’