তিন স্থানে পুড়ল ৩৯ স্থাপনা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে অন্তত ২৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ভূঁইয়ারহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী হারুন জানান, মঙ্গলবার রাত ৪টায় অটোরিকশার গ্যারেজের চার্জার থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে নিমেষেই ২৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ সময় অটোমোবাইল, চালের আড়ত, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন দোকান পুড়ে গিয়ে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক ফরিদ উদ্দিন জানান, আগুনের খবর পেয়ে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত তা নিশ্চিত করা যায়নি।

পঞ্চগড় বাজারের টিনপট্টি এলাকায় গত মঙ্গলবার ভয়াবহ আগুনে ৬টি দোকানের সব মালামালসহ মোট ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনে কাপড়ের দোকান, হার্ডওয়্যার দোকানসহ ৬টি দোকান পুড়ে গেছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি দোকান। তাৎক্ষণিক অগ্নিকা-ের কারণ জানা যায়নি। তবে ধারণা করা যাচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসি। আমাদের রিজার্ভ পানি এবং পৌরসভার রিজার্ভ ট্যাংকি থেকে পানি নিয়ে দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।’

কুড়িগ্রামের উলিপুরে আগুনে পাঁচটি ঘর পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের জনতারহাট এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত নওশের আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম জীবিকার তাগিদে ঢাকায় একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার সময় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ করে রাতের আঁধারে রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পাশের গোয়ালঘর, বসতঘরসহ পাঁচটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। এতে গোয়ালঘরে থাকা চারটি গরু আগুনে পুড়ে মারা গেছে। খবর পেয়ে উলিপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উলিপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।