বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতা শুধু কূটনৈতিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ থাকে না, এর প্রতিক্রিয়া সরাসরি পড়ে স্থানীয় অর্থনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্ব লানি বাজারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং সরবরাহের অনিশ্চয়তা আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। বাংলাদেশের লানি চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানিনির্ভর। ফলে বৈশি^ক অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি অনুভব করছে। কিন্তু সংকটের সবচেয়ে গভীর অভিঘাত পড়ার আশঙ্কা রয়েছে দেশের কৃষি খাতে যা জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তার মূল ভিত্তি। সরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত লানি মজুদ থাকার কথা বলা হলেও, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ভিন্ন বাস্তবতা নির্দেশ করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। কোথাও সরবরাহ ঘাটতির অভিযোগ, আবার কোথাও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে বাজারে অস্থিরতা। এই বৈপরীত্য প্রশাসনিক সক্ষমতা ও বাজার ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদনের ধারাবাহিকতা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে।
বাংলাদেশের কৃষি কাঠামো মূলত সেচনির্ভর। দেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধানের একটি বড় অংশ বোরো মৌসুমে উৎপাদিত হয়, যা সম্পূর্ণভাবে সেচের ওপর নির্ভরশীল। চলতি মৌসুমে প্রায় ৫০ লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। দেশের মোট ধান উৎপাদনে বোরো ধানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, বিশাল আবাদি জমিতে নিরবচ্ছিন্ন সেচ নিশ্চিত করা না গেলে উৎপাদনে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। একই সঙ্গে বছর জুড়ে বিভিন্ন মৌসুম মিলিয়ে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি হেক্টর জমিতে সেচ ব্যবস্থার ব্যবহার, দেশের কৃষিকে গভীরভাবে সেচনির্ভর করে তুলেছে। সেচ অবকাঠামোর গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের কৃষি এখনো ব্যাপকভাবে লানিনির্ভর। দেশে অনেক গভীর ও অগভীর নলকূপ এবং লো লিফট পাম্প ব্যবহৃত হচ্ছে, যার বড় অংশ ডিজেলচালিত। মাইনর ইরিগেশন সার্ভে অনুযায়ী, বর্তমানে ৩৪ হাজার ৪০টি গভীর নলকূপের মধ্যে ১৭৭৯টি ডিজেলচালিত। ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ২৬৬টি অগভীর নলকূপের মধ্যে ১০ লাখ ৪৩ হাজার ১৫০টি এবং ২ লাখ ৭ হাজার ৩৬৮টি লো লিফট পাম্পের মধ্যে ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৬৫টি ডিজেলচালিত। অর্থাৎ সেচ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ সরাসরি ডিজেলের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হচ্ছে। যদিও দেশে ৩ হাজারের বেশি সৌরচালিত সেচ পাম্প চালু হয়েছে, তবু সামগ্রিক অবকাঠামোর তুলনায় এর পরিসর এখনো সীমিত। বিদ্যুৎচালিত সেচ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে লানিনির্ভরতা রয়েছে। কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি অংশ এখনো জীবাশ্ম লানিভিত্তিক। ফলে দেশের সেচযন্ত্রের বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তবতায় চলতি বোরো মৌসুমে লানি সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন সেচ ব্যবস্থায় গুরুতর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে উৎপাদন কমে যাওয়া, বাজারে খাদ্য সরবরাহ হ্রাস এবং মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়, যা বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তাই লানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা কেবল অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি সরাসরি খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত একটি কৌশলগত প্রশ্ন। এ পরিস্থিতিতে বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা সংকটকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।
আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুদদারি বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। এর ফলে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটে এবং সাধারণ ভোক্তা ও কৃষক উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ধরনের কারসাজি প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন যেমন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, মজুদ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধান এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের কার্যকর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত বাজার তদারকি, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে মজুদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, ডিজিটাল নজরদারি জোরদার করা এবং সরবরাহ চেইনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনলে বাজারে একটি ইতিবাচক বার্তা যাবে। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হতে পারে। একই সঙ্গে কৃষক ও ভোক্তাদের অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা চালু রাখা এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করাও জরুরি। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরবে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির প্রবণতা কমবে এবং লানি সরবরাহ ও কৃষি উৎপাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। তবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে নজর দেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প লানির ব্যবহার একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই পথ হিসেবে সামনে এসেছে। সৌরশক্তিনির্ভর সেচব্যবস্থা ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরীক্ষিত এবং ইতিবাচক ফলাফলও পাওয়া গেছে। দেশে ৩ হাজারের বেশি সৌরচালিত সেচপাম্প চালু রয়েছে, যা প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ডিজেল সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখছে এবং গ্রিডনির্ভরতার চাপ কমাচ্ছে। একটি মাঝারি ক্ষমতার সৌর সেচপাম্প দৈনিক কয়েক একর জমিতে সেচ দিতে সক্ষম, বিশেষ করে রৌদ্রোজ্জ্বল মৌসুমে এর কার্যকারিতা সর্বোচ্চ থাকে। এর মাধ্যমে ডিজেলের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব, একই সঙ্গে সেচব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল ও পরিবেশবান্ধব করে তোলা যায়। একটি পূর্ণাঙ্গ সৌর সেচপাম্প স্থাপনে জমি, সৌরপ্যানেল, পাম্পিং সিস্টেম এবং সংযোগ অবকাঠামো মিলিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়, যা এককভাবে বহন করা অনেক কৃষকের পক্ষে সম্ভব নয়। তা ছাড়া জমির স্বল্পতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও রক্ষণাবেক্ষণ দক্ষতার অভাব এবং মৌসুমভিত্তিক পানির চাহিদার ভিন্নতা অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তবে সঠিক নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা থাকলে এই সীমাবদ্ধতাগুলো অতিক্রম করা সম্ভব। সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ, ভর্তুকি, লিজভিত্তিক মডেল এবং সমবায়ভিত্তিক যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তিটিকে আরও সহজলভ্য করা যেতে পারে। কয়েকজন কৃষক মিলে একটি সৌর সেচব্যবস্থা স্থাপন করলে ব্যয়ের চাপ কমে এবং ব্যবহারের দক্ষতাও বাড়ে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারত্বে রক্ষণাবেক্ষণ সেবা, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে এই ব্যবস্থার স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে সৌরশক্তিনির্ভর সেচ ধীরে ধীরে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য কৃষি সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে।
লানিনির্ভরতা কমানোর কার্যকর উপায় হলো, পানিসাশ্রয়ী আধুনিক সেচ প্রযুক্তির ব্যবহার। ড্রিপ ও স্প্রিংকলার পদ্ধতিতে সেচের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পানি সাশ্রয় সম্ভব। ড্রিপ সেচে পাইপ ও এমিটার ব্যবস্থার মাধ্যমে অল্প অল্প করে সরাসরি গাছের শিকড়ে পানি পৌঁছে দেওয়া হয়, ফলে পানির অপচয় প্রায় থাকে না এবং মাটির আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে। এটি বিশেষ করে সবজি, ফল এবং উচ্চমূল্যের ফসলের জন্য কার্যকর। স্প্রিংকলার পদ্ধতিতে পাইপলাইনের মাধ্যমে চাপ দিয়ে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হয়, যা বৃষ্টির মতো জমিতে পড়ে এবং সমতল বা অসমতল উভয় ধরনের জমিতে ব্যবহারযোগ্য। এতে জমির উপরিভাগে সমানভাবে পানি বিতরণ হয় এবং অতিরিক্ত সেচের প্রবণতা কমে। ধান চাষে অলটারনেট ওয়েটিং অ্যান্ড ড্রাইং বা এডব্লিউডি পদ্ধতি পানি সাশ্রয়ের আরও কার্যকর কৌশল হিসেবে পরিচিত। এতে জমিকে সারাক্ষণ পানিতে ডুবানো হয় না; বরং নির্দিষ্ট সময় অন্তর পানি শুকাতে দেওয়া হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় সেচ দেওয়া হয়। সাধারণত ছিদ্রযুক্ত পাইপ বা নল বসানো হয়, যার মাধ্যমে মাটির নিচে পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করা হয়; যখন পানি নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে নেমে আসে, তখন পুনরায় সেচ প্রদান করা হয়। ফলে অপ্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার কমে এবং সেচের জন্য ব্যবহৃত লানির চাহিদাও হ্রাস পায়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই পদ্ধতিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পানি সাশ্রয় সম্ভব, অথচ ফলনের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ে না; বরং মাটির বায়ু চলাচল বৃদ্ধি পেয়ে শিকড়ের বিকাশ উন্নত হয়।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সৌর, বায়ু ও পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়ছে, যা লানি খাতে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে প্রায় ২৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন নতুন প্রকল্প দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেলে, জাতীয় গ্রিডে স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে। পারমাণবিক বিদ্যুতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি আবহাওয়া বা মৌসুমি পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল নয়, ফলে সারা বছর একই মাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব। এর ফলে সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুতের প্রাপ্যতা বাড়বে, ডিজেলনির্ভরতা কমবে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাবে। পাশাপাশি লানি আমদানির ওপর চাপ কমিয়ে অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ প্রেক্ষাপটে কৃষি, লানি ও বিদ্যুৎ খাতের মধ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সেচব্যবস্থায় দক্ষভাবে ব্যবহার করা যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে কৃষি খাতকে আরও স্থিতিশীল ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হয়। বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। ধান, সবজি, আলু ও মাছ উৎপাদনে ধারাবাহিক সাফল্য দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতার ভিত্তিকে দৃঢ় করেছে। তবে এই অর্জন টেকসই রাখতে হলে, কৃষিকে লানি ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখা অপরিহার্য। লানি বাজারের অস্থিরতা, সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং মূল্য ওঠানামা কৃষির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে, যা এটিকে কেবল খাতভিত্তিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখে না; বরং একটি সমন্বিত জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে স্বল্পমেয়াদে সেচের জন্য লানি সরবরাহ নির্বিঘœ, কার্যকর বাজার তদারকি এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ করা জরুরি। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে বিকল্প লানি ব্যবহার, আধুনিক সেচ প্রযুক্তি এবং কৃষি, লানি ও বিদ্যুৎ খাতের মধ্যে সমন্বিত নীতিগত পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষকদের প্রযুক্তি গ্রহণে সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাও অপরিহার্য। লানি নিরাপত্তা ও কৃষি স্থিতিশীলতার এই দ্বৈত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সময়োপযোগী, সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলেই বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হবে।
লেখক: সিনিয়র কৃষিবিদ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, চেয়ারম্যান ডিআরপি ফাউন্ডেশন
rssarker69@gmail.com