ট্রাম্পের হুমকির পর কঠোর বার্তা ইরানের

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধাভিযান প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। গতকাল বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেছেন। তবে তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, ওয়াশিংটন নিজের সামরিক লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে যেতে আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ ইরানের ওপর কঠোর আঘাত হানবে। আর ট্রাম্পের এই কঠোর হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ হামলা চালানোর অঙ্গীকার করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক অপারেশনাল কমান্ড ‘খাতাম আল-আনবিয়া’ জানায়, ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এই যুদ্ধ চলবে—আপনাদের অপমান, পরাজয়, স্থায়ী অনুতাপ ও আত্মসমর্পণ না হওয়া পর্যন্ত।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আরও কঠোর, বিস্তৃত এবং ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’

এর আগে ট্রাম্প জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল নয়, তবে মিত্রদের সহায়তার জন্য অঞ্চলটিতে অবস্থান করছে। তিনি সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনসহ আঞ্চলিক মিত্রদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, আমরা তাদের কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেব না। ভাষণে ট্রাম্প পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।

এসময় ট্রাম্প দাবি করেন, চলমান সামরিক অভিযানের ‘মূল লক্ষ্য প্রায় অর্জিত’ এবং যুদ্ধ শেষের পথে। তবে প্রয়োজন হলে আরও কঠোর হামলা চালানোর হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

অন্যদিকে, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে তারা আরও বড় ও ধ্বংসাত্মক পাল্টা আঘাত হানবে।