সর্বশেষ ২০২৩ সালে স্বাধীনতা কাপ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। গত মৌসুমে সেটি হয়নি সময়ের অভাবে। এবারও একই পথে এগোচ্ছে বাফুফে। স্বাধীনতা কাপ এই মৌসুমে আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছেন বাফুফের কর্তারাই। লিগ ও ফেডারেশন কাপ বারবার পিছিয়ে দিয়ে গতবারের মতো এবারও স্বাধীনতা কাপকে অনিশ্চয়তায় ঠেলে দিয়েছে বাফুফের পেশাদার লিগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। কেবল স্বাধীনতা কাপ নয়, পূর্ব ঘোষিত সুপার কাপ এবারও আয়োজন করতে পারছে না বাফুফে। তার পরও প্রতিবারের মতো আগামী মৌসুমের খসড়া পঞ্জিকায় সুপার কাপ রেখেছে তারা।
গতকাল সোমবার পেশাদার লিগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আগামী মৌসুমের পঞ্জিকা ও ঘরোয়া লিগের ভেন্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো সংবাদমাধ্যমকে জানান। স্বাধীনতা কাপ নিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা কাপ আমরা করার চেষ্টা করব। তবে জুনে ফিফা উইন্ডোতে আমাদের খেলা আছে। এর আগেই জাতীয় দলের জন্য লিগের খেলা পিছিয়ে দিতে হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনও ছিল। সব মিলিয়ে খেলা পিছিয়ে গেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের এখন স্বাধীনতা কাপ একটু দোদুল্যমান অবস্থায় আছে। আমাদের শিডিউল অনুযায়ী করার কথা থাকলেও, শিডিউল এলোমেলো হতে পারে। যদি আমরা না করি সেটি জানাব, করলেও জানাব।’
আগামী ২০২৬-২০২৭ মৌসুমের ক্যালেন্ডার নিয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে জাকির বলেন, আমরা একটা খসড়া পঞ্জিকা করেছি। আগামী ইসি কমিটির সভায় সেটি উপস্থাপন করা হবে। খসড়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১ জুন আগামী মৌসুমের জন্য খেলোয়াড় নিবন্ধন উইন্ডো খুলে দেওয়া হবে। খসড়া ক্যালেন্ডারে আমরা সুপার কাপ রেখেছি। লিগ ছাড়াও স্বাধীনতা কাপ, ফেডারেশন কাপ ও চ্যালেঞ্জ কাপ থাকছে।’
ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ঘরোয়া লিগের খেলা হয় না অনেক দিন। সংস্কারের পর মাঠটি শুধু আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। জাকির জানান, ঘরোয়া ফুটবল জাতীয় স্টেডিয়ামে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাহী কমিটি।