বরুণ গাছের নিচে একদিন মেলা বসেছিল
জ্বলন্ত নিদাঘ শেষে পড়ন্ত বিকেলে
হাতে তুলে নিয়েছিলে মিষ্টি খিলি পান
অনভ্যস্ত মুখে যেন দিল সুধা ঢেলে।
হাঁটুতে বড়শি-ফোঁড়া সাধুর চড়ক
এখনো মায়ার বশে ঘোরায় নিয়ত
এখনো জিভের স্বাদে গাঁথা আছে ঝাল চানাচুর
কদমা-বাতাসা দিয়ে পার করি কাল-সন্ধ্যাব্রত।
পাতার বাঁশিরা গায় বেসুরো রাগিণী
বানরের নৃত্যকলা, ডুগডুগি বাজে
লাফ দিয়ে পার হয় ক্ষীরের সাগর
এইসব টুকে রাখি স্মৃতির দেরাজে।
নির্মেঘ আকাশ থেকে নেমে আসে দূরের অশনি
আচানক ঘূর্ণিবাত্যা মুছে দেয় বিগত কালিমা
জয়ডঙ্কা ডেকে আনে বজ্র ও বিদ্যুৎ
দুই চোখে মেপে রাখি দৃষ্টি পরিসীমা।
জ্বলন্ত নিদাঘ শেষে পড়ন্ত বিকেলে
হাতে তুলে নিয়েছিলে মিষ্টি খিলি পান
অনভ্যস্ত মুখে যেন দিল সুধা ঢেলে।
হাঁটুতে বড়শি-ফোঁড়া সাধুর চড়ক
এখনো মায়ার বশে ঘোরায় নিয়ত
এখনো জিভের স্বাদে গাঁথা আছে ঝাল চানাচুর
কদমা-বাতাসা দিয়ে পার করি কাল-সন্ধ্যাব্রত।
পাতার বাঁশিরা গায় বেসুরো রাগিণী
বানরের নৃত্যকলা, ডুগডুগি বাজে
লাফ দিয়ে পার হয় ক্ষীরের সাগর
এইসব টুকে রাখি স্মৃতির দেরাজে।
নির্মেঘ আকাশ থেকে নেমে আসে দূরের অশনি
আচানক ঘূর্ণিবাত্যা মুছে দেয় বিগত কালিমা
জয়ডঙ্কা ডেকে আনে বজ্র ও বিদ্যুৎ
দুই চোখে মেপে রাখি দৃষ্টি পরিসীমা।