মাঠের লড়াইয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন দীর্ঘ সময়। মাত্র এক বছর আগেও যে ম্যাচটি তামিম ইকবালের ক্যারিয়ারের শেষ স্বীকৃত ম্যাচ ছিল, সেখানেও অধিনায়ক তামিমের অধীনে খেলেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সময়ের বিবর্তনে সেই সতীর্থ এখন দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ অভিভাবক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি হিসেবে তামিম ইকবালকে পাওয়ায় ক্রিকেটারদের জন্য ইতিবাচক অনেক কিছু দেখছেন বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ।
গত ৭ এপ্রিল এক নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব নেন দেশসেরা এই ওপেনার। দায়িত্ব নেওয়ার পরই মিরপুরে প্রস্তুতি ক্যাম্পে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখা করে তাদের উজ্জীবিত করেন তিনি। একজন ক্রিকেটার হিসেবে খেলোয়াড়দের সুবিধা-অসুবিধাগুলো তামিম খুব কাছ থেকে চেনেন বলেই মনে করেন মিরাজ।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, "যেহেতু আমরা একসঙ্গে ক্রিকেট খেলেছি, তিনি আমাদের সম্পর্কে খুব ভালো জানেন। আমাদের বর্তমান চাহিদা কী বা আমরা কী পছন্দ করি—সেগুলো তার অজানা নয়। যেহেতু তিনি সম্প্রতি খেলা ছেড়েছেন, তাই ক্রিকেটারদের জন্য এটি একটি বড় ইতিবাচক দিক।"
বোর্ড সভাপতির আকস্মিক পরিবর্তনে ক্রিকেটারদের ওপর কোনো মানসিক প্রভাব পড়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মিরাজ পেশাদারিত্বের পরিচয় দেন। তিনি পরিষ্কার জানান, মাঠের বাইরের রদবদল নিয়ে তারা ভাবিত নন।
মিরাজ বলেন, "আমরা গত তিন সপ্তাহ ধরে খুবই ভালো অনুশীলন করেছি। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে বাইরে কী হচ্ছে, তা আমাদের মাথায় খুব একটা প্রভাব ফেলে না। আমাদের মূল কাজ হলো পারফর্ম করা। বাইরে কী হয়েছে, তা নিয়ে আমরা কখনোই চিন্তিত ছিলাম না।"
মিরাজ জানান, নতুন বিসিবি সভাপতি ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছেন। দলের বর্তমান ফর্ম নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তামিম তাদের এই ভালো খেলার ধারা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিসিবির শীর্ষ পদে এই রদবদলের আগে নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রস্তুতি চলাকালীন সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও ক্রিকেটারদের খোঁজখবর নিয়েছিলেন। তবে তামিমের সরাসরি সম্পৃক্ততা ড্রেসিংরুমে বাড়তি উদ্দীপনা জোগাবে বলে বিশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।