সাইফের অজুহাত ফক্সক্রফটের অভিজ্ঞতা

কাগজে-কলমে ডিন ফক্সক্রফটের এটা মাত্র দ্বিতীয় ওয়ানডে, দুটোই খেলেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। তবে সংবাদ সম্মেলনে নিউজিল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার জানালেন, এই নিয়ে ৫ম বারের মতো বাংলাদেশে এসেছেন! অনূর্ধ্ব-১৯ দল, নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দল, জাতীয় দলের সফর সব মিলিয়ে কয়েকবার বাংলাদেশে আসার অভিজ্ঞতা আর দিন দুয়েকের অনুশীলনে উইকেটের ধরন বুঝে ব্যাটিংয়ে মানিয়ে নিয়েই সফল ফক্সক্রফট। অন্যদিকে বাংলাদেশেই বেড়ে ওঠা আর ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময়েই এই মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা সাইফ হাসান অজুহাত দিলেন উইকেটের।

টেস্টের পঞ্চম দিনের উইকেট না হলে ৫০ ওভারে ২৪৮ রান তাড়া করাটা অসাধ্য কিছু নয়, তার ওপর প্রতিপক্ষ যদি হয় এমন একটা দল যারা এই গরমে বাংলাদেশে এসে হাঁসফাঁস করছে। অথচ সাইফ দিব্যি অজুহাত দাঁড় করিয়ে দিলেন উইকেটের, ‘আমার মনে হয় উইকেটটা প্রথম থেকে একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু ভুল সময়ে আমাদের উইকেটগুলো পেেড়ছে। যেমন আমার উইকেটটা যদি আমি আরেকটু ক্যারি করতে পারতাম, সেট ব্যাটসম্যানের জন্য একটু সহজ ছিল। নতুন ব্যাটসম্যানের জন্য একটু কঠিন ছিল। আমার মনে হয় আমি যদি আরেকটু ইনিংসটা লম্বা করতে পারতাম আরেকটু সহজ হতো।’ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সাইফ এক সময় বলেছেন উইকেট চ্যালেঞ্জিং, একবার বলেছেন উইকেটে খানিকটা অসমান বাউন্স ছিল, একবার বলেন মানিয়ে নিতে হবে, একবার বলেন অজুহাত দেওয়ার সুযোগ নেই... এসব বলে আবার উইকেটের অজুহাতও দেন। সাইফের কথার মতো বাংলাদেশের ব্যাটিংটাও তালগোল পাকানো, তাই তো শেষ হয়েছে ২৬ রানের হারে।

অন্যদিকে ডিন ফক্সক্রফটের জন্য এই ম্যাচটাই ষোলকলা পূর্ণ হওয়ার দিন। আগের সফরে শূন্য রানে আউট হওয়ার স্মৃতি মুছে দিয়েছেন ম্যাচ জেতানো অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে বললেন, ‘আমি খুব সম্ভবত এই নিয়ে ৫ম বারের মতো বাংলাদেশে এলাম। অনুশীলন উইকেটগুলো যেমন আচরণ করেছে ম্যাচেও সে রকমই পেয়েছি। আমাদের দ্রুত মানিয়ে নিতে হতো, সেই চেষ্টাই করেছি।’