জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, অতীতে কেউ ছাত্রদল করুক, ছাত্রশিবির করুক, ছাত্রলীগ করুক এটা আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজকে থেকে যখন কেউ এনসিপিতে আসবে তিনি এনসিপির সংগঠক, এনসিপির নেতাকর্মী হিসেবে কাজ করবে। এনসিপির আদর্শকে ধারণ করে কাজ করবে। তবে ফ্যাসিজমে অংশগ্রহণকারী, গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী, চাঁদাবাজ বা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কেউ কখনোই এনসিপিতে আসতে পারবে না।
গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এনসিপিতে যোগ দেন এবি পার্টি, আপ বাংলাদেশ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩৫ জনেরও বেশি নেতা-কর্মী। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন এনসিপি আহ্বায়ক।
যোগ দেওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন আপ বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সভাপতি রিফাত রশিদ ও এবি পার্টির (আমার বাংলাদেশ পার্টি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানী আবদুল হক, শাহরিজ সুলতানা ইরা, আয়মান রাহাত, শাহাদাত হোসেন, সানি আব্দুল হক, হাসান তানভীর, ওয়াহিদ আলম, মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন, সাজ্জাদ সাব্বির, এস এম সুইট প্রমুখ।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ বলেন, সবাইকে এনসিপির হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানাচ্ছি। এনসিপি এখনো সংস্কারের পক্ষে দৃঢ় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। বিচারের প্রশ্নে আমাদের ভূমিকা থাকবে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ভূমিকা রাখবে। সর্বোপরি বাংলাদেশে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্রের যাতে উদ্ভব না ঘটে, এ জন্য তরুণদের ভূমিকা রাখতে হবে এবং বাংলাদেশের মানুষ গণভোটের রায় দিয়েছে, সংস্কারের পক্ষে সেই রায়কে আমাদের অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ সময় আপ বাংলাদেশের সাবেক আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, রাষ্ট্রের যে পরিবর্তন আমরা গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আনতে চেয়েছি, আমরা দেশটা সাধারণ মানুষের জন্য গড়তে চেয়েছি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেখতে পাচ্ছি সংস্কারের প্রশ্নে জনগণের মধ্যে হতাশা কাজ করছে। আমরা যেন গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা পূরণ করতে পারি, সেজন্য এনসিপিতে যোগ দিয়েছি।