গাজীপুরের টঙ্গী-পূর্ব মাস্টারবাড়ি এলাকার পারিবারিক অবৈধ মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেটের সাত সদস্যের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। চক্রটি বাবা, তিন মেয়ে, দুই মেয়ের জামাই ও এক পুত্রবধূকে নিয়ে গড়ে উঠেছে। তারা মাদক কারবারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন করেছে বলে সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
গতকাল সোমবার সিআইডির মুখপাত্র বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৫ কোটি ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৭ টাকা নিজেদের ব্যাংক হিসেবে লেনদেন করেছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সারা দেশের বিভিন্ন থানায় এক বা একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
টঙ্গী-পূর্ব থানার মামলায় অভিযুক্তরা হলেন কামাল উদ্দিন, জাহানারা বেগম, মানিক মিয়া, আ. আওয়াল, মোসা. আসমা, রেশমা খাতুন ও লিজা বেগম ওরফে লিপি আক্তার। অভিযুক্ত আসমার বিরুদ্ধে তিনটি, রেশমার ১০টি, লিজার ৭টি, মানিক মিয়ার ৫টি এবং অন্যান্য অভিযুক্তের বিরুদ্ধেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
সিআইডির অনুসন্ধানে জানা যায়, আসমা, রেশমা ও লিজা আপন তিন বোন গাজীপুরের টঙ্গী-পূর্ব থানাধীন দত্তপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি সিন্ডিকেটের মূলহোতা হিসেবে পরিচিত। তাদের সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্য তাদের বাবা আব্দুল আওয়াল, আসমার স্বামী মানিক মিয়া, লিজার স্বামী কামাল উদ্দিন এবং তাদের ভাবি জাহানারার সমন্বয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে ওঠে। পারিবারিকভাবে চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা হলেও তারা বিয়ের পর স্বামী-সন্তান ও পিতামাতাসহ দত্তপাড়া এলাকায় বসবাস করে আসছে।