আহত সাংবাদিক ইমরানকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ

গাজীপুর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক ইমরান হোসেনকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি ওই সাংবাদিককে তিনি দেখতে যান। এময় তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিক ইমরান হোসেন গাজীপুরে একসিডেন্টে আহত হয়ে এক মাসেরও বেশি সময় এই হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার জন্যই হাসপাতালে আসা। এনসিপি সব সময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলে আসছে। সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড, বেতন কাঠামো থেকে শুরু করে সব সমস্যা নিয়েই আমরা কথা বলে আসছি। সাংবাদিকদের ওয়েলফেয়ার নিশ্চিত করার জন্য হাউজগুলোতে আমরা কথা বলেছি।

সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিতের পর দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এবিষয়ে দলটির অবস্থান জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন, যেহেতু এক ধরণের আইনী জটিলতার তৈরি হয়েছিলো, সে জায়গা থেকে আমরা বিকল্প একজনের মনোনয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যেহেতু মাত্র বাতিল হলো, তবে আপিল ও রিটের সুযোগ আছে। আশা করি সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমাদের লিগ্যাল টিম কাজ করছে। জাতীয় নির্বাচনে দেখেছি কীভাবে বিদেশি নাগরিক ও ঋণ খেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তখন ইসি অসহায়ের মতো বলেছে যে আমাদের বুকে পাথর চাপা দিয়ে দিতে হয়েছে। এমন কথাও তখন আমরা শুনতে পেয়েছি। সেটা খুবই দুঃখজনক। তবে তিন বছরের জটিলতা ঋণ খেলাপী অথবা বিদেশি নাগরিকত্বের মতো কঠিন কোনো জটিলতা না। তারপরও আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নিয়ম নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সে জায়গা থেকে নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত দিবে চুড়ান্ত আইন অনুযায়ী, সেটাই আমাদের জায়গা থেকে মেনে নিবো। সেক্ষেত্রে অন্যান্য অপশন নিয়ে আমরা কাজ করবো।

চট্টগ্রামে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামসহ সকল ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় থাকুক। ছাত্র রাজনীতি মেধার দিক থেকে প্রতিযোগিতার রাজনীতিতে পরিনত হোক। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে বড় দুই রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে শীতলযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি আছে। ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যকার শীতলযুদ্ধ সহিংসতার পর্যীয়ে নিয়ে যাবেন না।