ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করবেন

চাকরির পিছনে না ছুটে ইনস্টাগ্রাম থেকেও উপার্জন করতে পারেন। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে অনলাইনে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা যায়। শেয়ার করার পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করাও সম্ভব।

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়

আপনার ইনস্টাগ্রাম আইডিটা যদি খুব জনপ্রিয় হয়। তাহলে, আপনি আপনার আইডি কাজে লাগিয়ে সব ধরনের প্রোডাক্ট প্রমোট ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।  বেশি জনপ্রিয় নাও হন, তবুও আপনি এই ধরনের কাজ করতে পারবেন। যদি আপনি ইনস্টাগ্রামে খুব বেশি সময় দেন, নিজের সব ধরনের কাজ শেয়ার করেন। তাহলে, আপনার ফলোয়াররা আপনাকে বিশ্বাস এবং ভরসা করবে। অনেক কোম্পানি আছে যারা তাদের প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য এমন লোক খুঁজে বেড়ায়। ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে এই কাজ করে, আপনি আয় করতে পারবেন। তবে, কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই ফলোয়ার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করা যায়। একটি প্রোডাক্টের নির্দিষ্ট পরিমাণ বিক্রি করে দিলে, সেখান থেকে কোম্পানি কিছু কমিশন দেয়। এটাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। যে কোম্পানির পণ্য বিক্রি করা হবে বা যে যে পণ্য বিক্রি করা হবে তার লিংক নিজের ইনস্টাগ্রাম আইডিতে শেয়ার করতে হবে। যাতে ফলোয়াররা খুব সহজেই বুঝতে পারে, আর নির্দিষ্ট পণ্যটি খুঁজে পায়। বেশি বেশি পোস্ট করে ফলোয়ারদের কাছাকাছি থাকা এবং প্রতি পোস্টেই পণ্যের প্রচারের বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।

নতুনদের সাহায্য করা

আপনি যদি ইনস্টাগ্রামে খুব জনপ্রিয় হয়ে থাকেন। তাহলে, অনলাইনে নতুনদের সাহায্য করার, বিনিময়ে আয় করতে পারেন। যারা ইনস্টাগ্রামে নতুন, তারা জনপ্রিয় হতে চায়। তাদের অনলাইনে কোর্স কিংবা কনসালটেনসি দিতে পারেন। এর বিনিময়ে আপনি তাদের থেকে, টাকা আয় করতে পারবেন। অনেকে আছে যারা জানে না, কীভাবে স্পনসরশিপ রিকোয়েস্ট দিতে হয়, অ্যাড প্রচার করতে হয়, ভুয়া ফলোয়ার যাচাই করা যায়। নতুন যারা তারা অনেকেই তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডটিকে প্রচার করতে চায়, কিন্তু পারে না। আপনার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে, তাদের সাহায্য করতে পারেন। বিনিময়ে আপনার আয় হবে।

ইনস্টাগ্রাম ক্যাপশন বিক্রি করে

ইনস্টাগ্রামে কিছু পোস্ট করার জন্য সুন্দর ক্যাপশন দিতে হয়। ক্যাপশন ভালো হলে সেটা রিচ হয় বেশি। এখানে অনেকেই আছে যারা তাদের ব্যবসার প্রচারের জন্য সুন্দর কোনো ক্যাপশন পান না। তাদের কাছে ক্যাপশন বিক্রি করবেন। এই কাজ পাওয়ার জন্য, অবশ্যই আপনার পারসোনাল আইডিতে কিছু ভালো ভালো ক্যাপশন রাখতে হবে। ক্যাপশন সংবলিত যেসব পোস্ট খুব বেশি রিচ হয়েছে তার লিংক ও আইডিতে রাখতে হবে। কারণ, নিয়োগকর্তা কাজ দেখে তারপর কাজে নিয়োগ দেবেন। এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

পোস্টার, ছবি ও অন্যান্য

ইনস্টাগ্রাম যেহেতু ছবি প্রধান। তাই, ছবি বিক্রি করেই আপনি আয় করতে পারেন। যদি ভালো পোস্টার লিখতে বা খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারেন। বিভিন্ন পেইন্টিং, ড্রইং, অ্যানিমেশন বা বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করতে পারেন। ওপরে সুন্দর ক্যাপশন দিয়ে পোস্ট করতে পারেন। আপনার পারসোনাল আইডিতে লিংক দিয়ে যুক্ত করে দিতে পারেন।

নিজের পণ্য বিক্রি করা

নিজের ব্যবসার পণ্যও বিক্রি করা যায় ইনস্টাগ্রামে। ব্যবসা শুরু করার পর ব্যবসার পণ্য রাখার জন্য অবশ্যই নির্দিষ্ট স্থানের দরকার হয়ে থাকে। সেদিক বিবেচনায় ইনস্টাগ্রাম চমৎকার স্থান। ইনস্টাগ্রাম শপের মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রি করা যায়। প্রয়োজনে লিংক যুক্ত করে যেখান থেকে ফলোয়াররা সরাসরি নির্দিষ্ট পণ্যটি দেখে কিনতে পারবে।

ড্রপশিপিংয়ের মাধ্যমে আয়

এখানে নিজের আর কোনো চিন্তা করতে হয় না। ড্রপশিপিং ব্যবসায় কোনো পণ্য নিজেকে স্টোর করতে হয় না, এখানে নেই কোনো প্যাকেজিং-এর ঝামেলা। বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই নিশ্চিন্তে বিক্রি করা যায়। তবে এই কাজের জন্য একটা ড্রপশিপিং স্টোর সেট করতে হবে। ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয় প্রোফাইল বিক্রি করে টাকা আয় করা যায়। এমন অনেকেই আছেন যারা ইনস্টাগ্রামে প্রচুর সময় ও পরিশ্রম দিয়ে একটা আইডি গড়ে তোলেন যেখানে লাখ লাখ ফলোয়ার থাকেন। এই রকম প্রোফাইল তৈরি করে সেটি বিক্রি করে আয় করা যায়। প্রোফাইল বিক্রি করার ওয়েবাসাইট হলো Fameswap.com Ges Playerup.com