দুই দশক পর ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’

দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বড় পর্দায় ফিরছে বহুল আলোচিত সিনেমা ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’-এর সিক্যুয়াল। ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’ নামে ছবিটি বাংলাদেশের স্টার সিনেপেক্সেসহ ১ মে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাচ্ছে। সিনেমাটি এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপ। এরইমধ্যে সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন ডেভিড ফ্রাঙ্কেল। মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ডলার বাজেটের এই সিনেমা বিশ্বজুড়ে আয় করেছিল প্রায় ৩২৭ মিলিয়ন ডলার। সাফল্যের দিক থেকে সেটি ছিল সে সময়ের অন্যতম সফল। ছবিটিকে দিয়েছিলো সবচেয়ে হিট কমেডি-ড্রামা চলচ্চিত্রের তকমা। 

সেই রেশ নিয়ে নতুন এই পর্বেও ফিরছেন আগের তারকারাই। ফ্যাশন দুনিয়ার প্রভাবশালী সম্পাদক মিরান্ডা প্রিস্টলি চরিত্রে আবারও দেখা যাবে মেরিল স্ট্রিপকে। উচ্চাকাঙ্ক্ষী সাংবাদিক অ্যান্ডি স্যাক্স চরিত্রে থাকছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী এমিলির ভূমিকায় থাকছেন এমিলি ব্লান্ট। এছাড়া আরও অভিনয় করেছেন স্ট্যানলি টুচি, জাস্টিন থেরাক্স ও কেনেথ ব্রানাঘ। 

লরেন ওয়েইসবর্গারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই গল্পে আবারও উঠে আসবে ফ্যাশন জগতের প্রতিযোগিতা, ক্যারিয়ারের চাপ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন। সিক্যুয়েলে দেখা যাবে, অ্যান্ডি স্যাক্স এখন ফিচার সম্পাদক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। অন্যদিকে এমিলির সঙ্গে তার পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র রূপ নিয়েছে, যা গল্পে এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা। 

মুক্তির আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। বিশেষ করে মিরান্ডা প্রিস্টলি চরিত্রে মেরিল স্ট্রিপ আগের মতোই প্রভাব ফেলতে পারবেন কি না তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। একই সঙ্গে অ্যান হ্যাথাওয়ে ও এমিলি ব্লান্ট-এর রসায়নও দর্শকদের কৌতূহলের কেন্দ্রে।