আলোচিত শিশু শিক্ষার্থী আইরিন আক্তার কবিতাকে ধর্ষণের চেষ্টা ও পরবর্তীতে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার মামলার প্রধান আসামি ইসরাফিল মেধাকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
এছাড়া হত্যার পর লাশ গুম করার সাথে জড়িত এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি দুইজন গ্রেপ্তাররা হলেন- নাসিমা বেগম হত্যাকারীর মা এবং আলামিন হত্যাকারীর ভাই।
এ বিষয়ে শুক্রবার (১ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কোতোয়ালি থানার সম্মিলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমির।
তিনি আরো বলেন, লাশ উদ্ধারের ৮ ঘণ্টার মধ্যেই এই মামলার মূল আসামিসহ সকলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া প্রধান আসামি ইসরাফিল আদালতে ১৪৪ ধারা জবানবন্দি দিবে বলেও তিনি জানান। পরবর্তীতে তদন্ত করে আরো কেউ এর সাথে জড়িত আছে কিনা তাও দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ফরিদপুরে নিখোঁজের ৬দিন পর রেললাইনের পাশে কলাবাগান থেকে আইরিন আক্তার (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের কাফুরা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আইরিন উপজেলা সদরের গেরদা ইউনিয়নের বুকাইল আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ও রিকশাচালক বাকা মিয়ার মেয়ে। সে বুকাইল সরকারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে পাঁচ বোনের মধ্যে সবার ছোট।