রাইস ব্রান ভোজ্য তেলের সমাধান

ধান শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়। আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ যা সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। এটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক মানুষের জীবিকার প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদক হিসেবে, আমরা সাদা চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। আবার একইসঙ্গে ফসলের সবচেয়ে পুষ্টিসমৃদ্ধ অংশটি নিয়মিতভাবে অপচয় করছি এটি রাইস ব্রান তেল। বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরল সোনা, যার রয়েছে বিশাল অর্থনৈতিক ও পুষ্টিগুণ।  বৈশ্বিকভাবে ধান প্রক্রিয়াজাতকরণে শুধু চাল নয়, ব্রান থেকেও উচ্চমূল্যের খাদ্য ও শিল্পপণ্য উৎপাদিত হয়। অথচ বাংলাদেশ এখনো এ খাতকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগাতে পারেনি। প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ উপপণ্য উৎপাদিত হলেও, দ্রুত এনজাইমীয় নষ্ট হওয়ার কারণে এটি প্রায়ই পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বা স্বল্পমূল্যের বর্জ্যে পরিণত হয় যা মূলত মূল্যবান সম্পদের অপচয়। ২০২৪ থেকে ২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৫৫.২ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদিত হয়েছে, যা রাইস ব্রান অয়েলের কাঁচামাল সরবরাহ করে। একই সময় দেশে প্রায় ৩.৮৬ মিলিয়ন টন রাইস ব্রান উৎপাদিত হয়েছে। এই রাইস ব্রান শুধু কৃষিজ অবশিষ্ট নয়; বরং এটি একটি উচ্চমূল্যসম্পন্ন শিল্প কাঁচামাল, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করা  গেলে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। এই বিপুল পরিমাণ রাইস ব্রান থেকে আনুমানিক ৮ লাখ ৮০ হাজার টনেরও বেশি অপরিশোধিত রাইস ব্রান তেল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশীয় ভোজ্য তেল খাতে আমদানি নির্ভরতা কমানোর একটি বাস্তব ভিত্তি তৈরি করতে পারে। দেশে রাইস ব্রান তেল শিল্পের মোট পরিশোধন ক্ষমতা বছরে প্রায় ৪ লাখ ৫৩ হাজার টন হলেও, বাস্তবে এটি এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হয় না।

কাঁচামাল সংগ্রহে দুর্বলতা, দ্রুত স্থিতিশীলকরণ প্রযুক্তির অভাব এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এ শিল্প প্রকৃত সম্ভাবনার তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। ফলে একটি সম্ভাবনাময় মূল্যশৃঙ্খল যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে, আংশিকভাবে অকার্যকর রয়ে গেছে। এটি কেবল একটি শিল্পগত ঘাটতি নয়, বরং একটি বড় অর্থনৈতিক সুযোগ হারানোর সমান। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাইস ব্রান তেল কার্যকরভাবে ব্যবহার করা গেলে দেশের ভোজ্য তেলের মোট চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ করতে সক্ষম। বৈশ্বিক বাজারে ইতিমধ্যে এই তেল ‘তরল সোনা’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। কারণ এটি একদিকে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ অন্যদিকে শিল্প ও খাদ্য উভয় খাতে বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য। তাই এই খাতের সম্ভাবনা শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং রপ্তানিমুখী অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। রাইস ব্রানকে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তরের প্রধান বাধা এক নির্মম জৈবিক সময়সীমা, যা এই শিল্পের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল করে তোলে। জীবিত ধান দানায় তেল ভেতরে সুরক্ষিত থাকে এবং লাইপেজ এনজাইম বাইরের স্তরে অবস্থান করে। কিন্তু চাল ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে এই কাঠামো ভেঙে গেলে এনজাইম দ্রুত তেলের ওপর ক্রিয়া শুরু করে। ফলে মুক্ত ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা দ্রুত বাড়ে। কাঁচা রাইস ব্রানে প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত অল্প সময়েই তেলকে মানবখাদ্যের অনুপযোগী করে তোলে এবং টক, তীব্র ও দুর্গন্ধযুক্ত স্বাদ সৃষ্টি করে। এতে উচ্চমূল্যের পুষ্টিকর উপাদান দ্রুত নিম্নমানের কৃষি উপপণ্যে পরিণত হয়।

এই শিল্পের সাফল্য মূলত সময়ের সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল, যেখানে সামান্য বিলম্ব পুরো প্রক্রিয়াকে ব্যর্থ করে দিতে পারে। গবেষণা বলছে, লাইপেজ এনজাইম নিষ্ক্রিয় করতে রাইস ব্রান দ্রুত স্থিতিশীল করা জরুরি। না হলে মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যেই, এর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। এই সীমাই উচ্চমূল্যের পুষ্টিকর খাদ্য ও নিম্নমানের বর্জ্যের মধ্যে, স্পষ্ট অর্থনৈতিক বিভাজন তৈরি করে। আধুনিক প্রযুক্তিতে তাপ বা বাষ্প প্রয়োগে এনজাইম দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হলেও, দেশে প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহার ও অবকাঠামোগত দুর্বলতায় তা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায় না। ফলে সম্ভাবনাময় এই তরল সোনা মিল থেকে গুণগত মান হারিয়ে অর্থনৈতিক অপচয়ে পরিণত হয়। অন্যদিকে, দেশে ভোজ্য তেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২.৩ থেকে ২.৪ মিলিয়ন টন। যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও শহরমুখী জীবনযাত্রার সঙ্গে বাড়ছে। এই চাহিদার বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন তুলনামূলক দুর্বল। সরিষা, তিল, তিসি, সূর্যমুখী ও বাদাম তেলের সম্মিলিত উৎপাদন মোট চাহিদার একটি ছোট অংশ পূরণ করে। এর মধ্যে সরিষা তেল প্রায় ১৯ শতাংশ চাহিদা মেটায়। আর তিল, তিসি ও সূর্যমুখী তেল মিলে মাত্র ৩ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত। বাদাম তেলের অবদানও অতি সামান্য। ফলে দেশীয় উৎস থেকে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে, বাকি অংশ আমদানিনির্ভর থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়ছে এবং বাজার আন্তর্জাতিক দামের ওঠানামার প্রতি সংবেদনশীল হয়ে উঠছে। আমদানি নির্ভরতার সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে পাম ও সয়াবিন তেল। দেশে মোট ভোজ্য তেলের প্রায় ৫০ শতাংশই আমদানিকৃত পাম তেল দ্বারা পূরণ হয়, যা কম দামের কারণে বাজারে প্রাধান্য পেয়েছে এবং দ্রুত গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। সয়াবিন তেল প্রায় ২৮ শতাংশ চাহিদা পূরণ করে, যার বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এটি শহরাঞ্চলের খাদ্য ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে। প্রতি বছর বাংলাদেশ আনুমানিক ১.২ থেকে ১.৪ মিলিয়ন টন পাম তেল এবং ৭ থেকে ৮ লাখ টন সয়াবিন তেল আমদানি করে, যা মোট ভোজ্য তেলের চাহিদার বড় অংশ। এই আমদানির জন্য বছরে প্রায় ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়, যা সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করে এবং  বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলে। বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামা, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলার অনিশ্চয়তার কারণে এই ব্যয় আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে খাদ্য নিরাপত্তা ও মূল্য স্থিতিশীলতা পরোক্ষভাবে প্রভাবিত হয়। এমন প্রেক্ষাপটে রাইস ব্রান একটি অনাবিষ্কৃত ও যথাযথভাবে মূল্যায়িত না হওয়া, কৌশলগত সম্পদ হিসেবে সামনে আসে। ৫৫.২ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদনের বিপরীতে ৩.৮৬ মিলিয়ন টন রাইস ব্রান উৎপাদন, দেশের ভেতরেই একটি বিশাল ও ধারাবাহিক কাঁচামাল ভাণ্ডারের ইঙ্গিত দেয় যা দীর্ঘদিন উপপণ্য হিসেবে অবমূল্যায়িত।

রাইস ব্রান যথাযথভাবে সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করা গেলে প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার টনের বেশি অপরিশোধিত রাইস ব্রান তেল উৎপাদন সম্ভব। যা শুধু শিল্প সম্ভাবনা নয়, দেশের ভোজ্য তেলের চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণে, বাস্তব ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে, যখন আমদানি-নির্ভরতা ক্রমাগত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে তখন অভ্যন্তরীণ উৎস কৌশলগত গুরুত্ব পায়। বাস্তবতা হলো, রাইস ব্রানের একটি বড় অংশ উৎপাদনের পরপরই, দ্রুত এনজাইমীয় ক্রিয়ায় গুণগত মান হারাতে শুরু করে এবং সময়মতো স্থিতিশীলকরণ না থাকায় তা শিল্প ব্যবহারের উপযোগিতা হারায়। ফলে সম্ভাবনাময় এই সম্পদের উল্লেখযোগ্য অংশ, পশুখাদ্য হিসেবে সীমিত ব্যবহারে চলে যায় বা নিম্নমূল্যের বর্জ্যে পরিণত হয়। অথচ আধুনিক স্থিতিশীলকরণ প্রযুক্তি; দ্রুত সংগ্রহ ও উন্নত সংরক্ষণ অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে, এই ব্রান থেকে তেল উৎপাদনের সম্ভাবনা কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। একইসঙ্গে আমদানি-নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়। রাইস ব্রান তেল শুধু অর্থনৈতিক নয়, পুষ্টিগত দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে থাকা গামা ওরিজানল, টোকোট্রিয়েনলস ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান কোষের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং উচ্চ তাপে রান্নার জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হওয়ায় ভাজাপোড়ায় কার্যকর। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি আন্তর্জাতিক বাজারে বিশেষত উন্নত দেশগুলোতে, স্বাস্থ্যবান্ধব তেল হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পাশাপাশি এর উপজাত ব্যবস্থাপনাও একটি বড় শক্তি।

ডি অয়েলড রাইস ব্রান উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায়,  পশুপালন ও মৎস্য খাতে খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। এ ছাড়া এটি মোম, গাম ও অন্যান্য জৈব উপাদান প্রসাধনী ও ওষুধ শিল্পে মূল্যবান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এমনকি নিম্নমানের তেল প্রক্রিয়াজাত করে, বায়োডিজেল উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানি খাতেও অবদান রাখা সম্ভব। ফলে রাইস ব্রান তেল একটি পূর্ণাঙ্গ চক্রাকার অর্থনীতির উদাহরণ, যেখানে অপচয়ের সুযোগ নেই। বরং প্রতিটি ধাপে নতুন মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে, সবকিছু অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তরিত হয়। তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। প্রথমত, রাইস ব্রান সংগ্রহ ও সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করতে হবে, যাতে দ্রুত এনজাইমীয় অবনতি রোধ করা যায়। দ্বিতীয়ত, মিলিং অবকাঠামো আধুনিকায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্থিতিশীলকরণ ইউনিট স্থাপন প্রয়োজন। তৃতীয়ত, এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত প্রণোদনা ও কর সুবিধা দিতে হবে। চতুর্থত, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়িয়ে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। পঞ্চমত, কৃষক, মিল মালিক ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে তারা এই সম্পদের প্রকৃত গুরুত্ব বুঝতে পারেন। বাংলাদেশ বর্তমানে এক অদ্ভুত বাস্তবতার মুখোমুখি, ধান উৎপাদনে শক্তিশালী হলেও ভোজ্য তেলের জন্য ব্যাপকভাবে আমদানিনির্ভর। দেশে মোট ১৫টি রাইস ব্রান তেল কারখানার মধ্যে ১৩টি চালু থাকলেও, তাদের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৪৫৩,০০০ টন হলেও বাস্তবে উৎপাদন মাত্র ১৫০,০০০ টনে সীমাবদ্ধ কাঁচামালের ঘাটতির কারণে। এই ঘাটতি আসলে উৎপাদনের অভাব নয়, বরং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার প্রতিফলন। রাইস ব্রানকে পোলট্রি খাদ্য বা নিম্নমূল্যের উপপণ্য থেকে, তরল সোনায় রূপান্তর করা কোনো কল্পনা নয় বরং একটি বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী অর্থনৈতিক কৌশল। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ইতিমধ্যে দেখিয়েছে আধুনিক স্থিতিশীলকরণ প্রযুক্তি; উন্নত মিলিং ব্যবস্থা এবং দ্রুত প্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষমতা থাকলে, রাইস ব্রান থেকে উচ্চমানের ভোজ্য তেল উৎপাদন করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করা সম্ভব। সঠিক নীতি, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের সমন্বয়ে খাতটি বাংলাদেশের ভোজ্য তেলের বাজারে কাঠামোগত ও দীর্ঘমেয়াদি বিপ্লব ঘটাতে পারে। এটি কেবল উৎপাদন বৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং শিল্পভিত্তিক নতুন কর্মসংস্থান ও মূল্য সংযোজনের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এর ফলে শুধু আমদানি-নির্ভরতা কমবে না, বরং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

লেখক: সিনিয়র কৃষিবিদ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা চেয়ারম্যান, ডিআরপি ফাউন্ডেশন

rssarker69@gmail.com