জ্বালানি সমস্যার সমাধানে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে

জ্বালানির সমস্যা সমাধানে নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসঙ্গে কাজ করলে সমস্যা সমাধান করা সহজ হবে।

গতকাল শনিবার তেজগাঁয়ে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত ‘ফিউচার অব এনার্জি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্সের লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম।

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, জ্বালানির বিষয়ে একটি মনিটরিং সেল থাকা দরকার। এটা হতে পারে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারের মাধ্যমে। একইসঙ্গে আমাদের নিজস্ব জ্বালানি নিরাপত্তার দিকে এগোতে হবে। এ জন্য জ্বালানিসাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এখানে সোলার একটি সমাধান হতে পারে। বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম বলেন, দেশে ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে তুলনামুলক সস্তা গ্যাস, জ্বালানি এবং শ্রমের কারণে। কিন্তু ২০২২ সালের পর থেকে গ্যাস ও জ্বালানি আর সস্তা নেই।

তিনি বলেন, প্রতি বছর প্রায় ১০০ এমএমসিএফ গ্যাস উত্তোলন কমছে। সরকার এটা এলএনজি আমদানির মাধ্যমে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করছে। কারণ দেশের শিল্প ও কর্মসংস্থানের জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো জ্বালানি। তিনি বলেন, দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। সংকট থেকে কীভাবে বের হওয়া যায় এর জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। উদ্যোক্তারা যেমন চায়না শিল্প বন্ধ হোক ও কর্মসংস্থান কমে যাক, তেমনি এটা সরকারও চায় না। ফলে এ ধরনের সমস্যা থেকে কীভাবে উত্তরণ পাওয়া সম্ভব এ জন্য নির্দিষ্ট প্রস্তাবনা সরকারকে দেওয়া যেতে পারে। সভায় অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা পরিষদের সদস্য (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. রফিকুল ইসলাম, বিআইপিপিএ এর সভাপতি ডেভিড হাসানাত।