প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রতিবেশ
ইকোলজিক্যাল মডার্নাইজেশন নামে একটি শব্দ বেশ কিছুদিন ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর বাংলা করা হয়েছে সবুজ পুঁজিবাদ। এই তত্ত্বটি ১৯৮০-এর দশকে উদ্ভূত হয়। এই তত্ত্ব কতগুলো বিষয়কে সামনে এনেছে, যার উন্নয়নের মাধ্যমে দূষণ কমানো যায়। যেমন তারা প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কথা বলছে। তারা বলছে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূষণ কমানো যায়। এই তত্ত্ব এমন অর্থনৈতিক বিকাশের কথা বলছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে। রাষ্ট্র ও বাজারব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব নীতি প্রয়োগের কথা বলছে। এরা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কথা বলছে।
তবে মার্কসবাদীদের মতে, এই ইকোলজিক্যাল মডার্নাইজেশনের মাধ্যমে পরিবেশবাদকে পণ্যীকরণ করা হচ্ছে। তারা জৈব খাদ্য বা পরিবেশবান্ধব এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করে নতুন পণ্য তৈরি করছে। এ ধরনের পরিবেশবাদের বিকাশ পরিবেশ আন্দোলনকে ক্ষতি করছে। তাদের মতে, পুঁজিবাদ প্রথম থেকেই প্রকৃতির ওপর খবরদারি করে বেড়ে উঠেছে।
ইকোলজি বা বাস্তুবিদ্যা আসলে তা-ই যেখানে প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক আন্তঃসংযোগ, আন্তঃনির্ভরতা, মিথস্ক্রিয়াকে পাঠ করা হয়। ১৮৬৯ সালে বিজ্ঞানী আর্নেস্ক হেকেল সর্বপ্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। তবে ১৯৭৭ সালে স্মিথ বাস্তুবিদ্যার ধারণাকে আরও ব্যাপক করেন। তার মতে বাস্তুবিদ্যা হলো এমন একটি বহুসংশ্লেষিত বিজ্ঞান, যা জীব ও তার বসবাসের স্থান নিয়ে আলোচনা করে এবং বাস্তুতন্ত্রের ওপর গুরুত্বারোপ করে। কোনো একটি স্থানের প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ পাঠ করতে হলে ইকোলজি আমাদের সাহায্য করে। বাস্তুতন্ত্র টিকে থাকার সঙ্গে একটি জনপদের অস্তিত্ব টিকে থাকে।
বাংলাদেশের প্রাণ ও প্রকৃতি
বাংলাদেশের প্রাণ ও প্রকৃতি বলতে শুধু বনের উদ্ভিদ ও প্রাণী বোঝায় না। প্রাণ ও প্রকৃতি বলতে বিশাল বাস্তুসংস্থানের সব উপাদানকেই বোঝাবে। এই উপাদানে যেমন ছোট-বড় অসংখ্য নদ-নদী রয়েছে, তেমনি রয়েছে হাওর-বাঁওড়-খাল-বিল প্রভৃতি। সুন্দরবনের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার বা হরিণ যেমন, তেমনি প্রায় ১৬০০ প্রজাতিরও বেশি মেরুদন্ডী প্রাণী, ৬২৮ প্রজাতির পাখি, ৭০৮ প্রজাতির মাছ, ১১৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী আর ২২ প্রজাতির উভচরও এর আওতাভুক্ত। এ ছাড়া রয়েছে আর্থোপডা পর্বের অসংখ্য কীট-পতঙ্গ ও নানা ধরনের উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতের ওপর ছয় ঋতুর প্রভাবও এখানে আলোচিত। বন ও সমুদ্রের পাশাপাশি গ্রাম বা শহরে যেসব প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখা যায়, পুকুর-নদী-অন্যান্য প্রাকৃতিক জলাধার, এসবও বাস্তুসংস্থানের আওতাগত বিষয়।
বাংলাদেশের উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতির বিলুপ্তি
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর নেচার কনজারভেশনের ২০১৫ সালের প্রতিবেদন মতে, বাংলাদেশে বিলুপ্ত প্রাণী প্রজাতির সংখ্যা ৩১টি। ১৬০০ প্রাণী প্রজাতির মধ্যে ৩৯০টি হুমকির মধ্যে রয়েছে। আর ঝুঁকিতে রয়েছে ৫০টির বেশি প্রজাতি। আইইউসিএনের ২০০০ সাল ও ২০১৫ সালের প্রতিবেদন তুলনা করলে দেখা যাবে এই বিলুপ্তির হার অত্যাধিক। ২০০০ সালে বিলুপ্ত প্রাণী প্রজাতির সংখ্যা ছিল ১৩টি। অর্থাৎ ১৫ বছরে ১৮টি প্রাণী প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে, যা ভয়াবহ বিলুপ্তির হারকে নির্দেশ করছে। বাংলাদেশে বিলুপ্ত প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে ডোরাকাটা হায়েনা, ধূসর নেকড়ে, নীল গাই, সুমাত্রা গন্ডার, জাভা গন্ডার, ভারতীয় গন্ডার, শিঙা হরিণ, মন্থর ভালুক ইত্যাদি। আইইউসিএনের মহাবিপন্ন প্রাণীদের তালিকায় আছে হাতি, ভোঁদড়, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, চিতা, বনরুই, উল্লুক, চশমা পরা হনুমান, বনগরু, সাম্বার হরিণ, কাঠবিড়ালি, কালো ভালুক প্রভৃতি।
২০১৫ সালের আইইউসিএনের প্রতিবেদনে দেখানো হয়, বাংলাদেশের বনাঞ্চলে ২৮৬টি এবং সাফারি পার্কে ৯৬টি হাতি রয়েছে। বন্যপ্রাণী সংস্থাগুলোর মতে, বাংলাদেশে চিতাবাঘের সংখ্যা ৩০ থেকে ৫০টি। বাংলাদেশে ৩ হাজারের মতো উল্লুক ছিল। এটি নেমে হয়েছে ২০০ থেকে ৩০০টিতে। বাংলাদেশেও বন্যপ্রাণী বিলুপ্তির অন্যতম কারণগুলো হলো—নগরায়ণ, আবহাওয়া পরিবর্তন, আবাসস্থল ধ্বংস, দূষণ, শিকার প্রভৃতি। একদিকে যেমন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্যদিকে কৃষির জন্য বন উজাড় করা হচ্ছে। একদিকে যেমন হ্রাস পাচ্ছে নদীর নাব্যতা অন্যদিকে অজস্র প্রাণী শিকারে পরিণত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।
বাংলাদেশে উদ্ভিদের লাল তালিকা নামের একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। এই বইয়ে ১০০০ উদ্ভিদ প্রজাতির লাল তালিকা করা হয়েছে। এই বইয়ে দেখানো হয়েছে দেশের সাতটি প্রজাতির উদ্ভিদ একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আর ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে ২৭১টি প্রজাতি। বিপদাপন্ন হিসেবে দেখানো হয়েছে ৩৯৫টি প্রজাতি। এর মধ্যে পাঁচটি প্রজাতি মহাবিপন্ন। বিপন্ন ও সংকটাপন্ন হিসেবে দেখানো হয়েছে ১২৭টি ও ২৬৩টি উদ্ভিদ প্রজাতি। বিলুপ্ত প্রজাতিগুলো হলো ফিতাচাঁপা, কুড়াজিরি, ভানু দেয়পাত, গোলা অঞ্জন, সাত সারিলা, থার্মা জাম, মাইট্রাসিস। মহাবিপন্ন উদ্ভিদ প্রজাতিগুলো হলো বাঁশপাতা, বনখেজুর, বালবোরক্স, লম্বা ট্রায়াস অর্কিড ও বলগাছ। এই পাঁচটি গাছ যতœ না নিলে দ্রুতই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় আইন
সম্প্রতি বাংলাদেশের বিপন্ন বন্যপ্রাণী রক্ষা ও বনজ সম্পদ সংরক্ষণে জাতীয় সংসদে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। এই আইনে বাঘ ও হাতির মতো মহাবিপন্ন প্রাণী হত্যার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং জামিন অযোগ্য বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলে শাস্তি দ্বিগুণ করার বিধান রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বাঘ বা হাতি ছাড়া অন্য কোনো বন্যপ্রাণী শিকার করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ ৩ লাখা টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। পুনরায় একই অপরাধ করলে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড অথবা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধরা হয়েছে।
এ ছাড়া বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন-২০২৬ পাস করা হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে অনুমতি ছাড়া শতবর্ষী বা গুরুত্বপূর্ণ গাছ কাটা দ-নীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। উদ্যানে বিনা অনুমতিতে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। চাষাবাদ করা যাবে না। কোনো শিল্প বা কারাখানা স্থাপন বা পরিচালনা করতে পারবে না। আগুন লাগতে পারে এমন কাজ করা যাবে না। কোনো বন্যপ্রাণীকে শিকার, ভয় দেখানো বা বিরক্ত করতে পারবে না। বন্যপ্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। বিদেশি ও আগ্রাসী প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রবেশ করাতে পারবে না। ময়লা, আবর্জনা, খনিজ পদার্থ বা বর্জ্যরে স্তূপ করতে পারবে না। বনভোজন করতে পারবে না। সন্দেহভাজন বন অপরাধীকে আদালতের পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারবে বন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এখানে ২০৭ প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও ১০০ প্রজাতির উদ্ভিদকে সুরক্ষার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
এ ছাড়া জেল-জরিমানার বিধান রেখে হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস করা হয়েছে। হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬ বিলটি আইনে পরিণত করা হয়। এই বিধান লঙ্ঘনে দুই বছরের কারাদন্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রাণবৈচিত্র্যে ভরপুর একটি দেশ। কিন্তু নানা কারণে এই প্রাণবৈচিত্র্য এখন হুমকির সম্মুখীন। এর মূল কারণ আবাসস্থলের ধ্বংস। এ ছাড়া বনাঞ্চলের বড় বড় গাছ কেটে ফেলা, খাদ্যসংকট, পর্যটন, শিকার প্রভৃতি কারণে এদের সংখ্যা কমতে কমতে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতি বিলুপ্তির যে কারণগুলো দেখানো হচ্ছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সমুদ্র থেকে অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ, বন উজাড়করণ, আবাসস্থল ধ্বংস, দূষণ, আবহাওয়া পরিবর্তন, জিনগত বৈচিত্র্য কমে যাওয়া, খাদ্যাভাব, শিকার প্রভৃতি। বর্তমান পৃথিবীতে প্রতি মিনিটে ৫০ একর বাসস্থান ধ্বংস হচ্ছে। সমুদ্রে মৎস্য অতিরিক্ত আহরণের কারণে পৃথিবী থেকে প্রায় ৯০ প্রজাতি সামুদ্রিক মাছ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। বন উজাড়ের কারণে পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি প্রজাতি হুমকির সম্মুখীন। কৃষি ভূমির জন্য বন কাটা হচ্ছে। দেখা গেছে, আমাজন বনের দুই তৃতীয়াংশই কাটা হয়েছে কৃষি কাজের জন্য। দূষণের কারণে বিশে^ও প্রায় ৭০০ প্রজাতি সরাসরি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রাণী প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার অন্যতম আরেকটি কারণ হচ্ছে দূষণ। আমেরিকার ৬৯ ভাগ প্রজাতি দূষণের স্বীকার।
বাংলাদেশেও বন্যপ্রাণী বিলুপ্তির অন্যতম কারণগুলো হলো—নগরায়ণ, আবহাওয়া পরিবর্তন, আবাসস্থল ধ্বংস, দূষণ, শিকার প্রভৃতি। একদিকে যেমন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে কৃষির জন্য বন উজাড় করা হচ্ছে। একদিকে যেমন হ্রাস পাচ্ছে নদীর নাব্যতা অন্যদিকে অজস্র প্রাণী শিকারে পরিণত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। তাই এখন থেকেই দরকার যথাযথ পদক্ষেপ। বাংলাদেশে ইন-সিটু এবং এক্স-সিটু উভয় পদ্ধতিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা হয়। ইন-সিটু পদ্ধতিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ হচ্ছে মূল বাসস্থানে অর্থাৎ যে বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে জীব বড় হচ্ছে সেই বাস্তুতন্ত্রেই সংরক্ষণ করা। আর এক্স-সিটু সংরক্ষণ হচ্ছে মূল বাসস্থানের বাইরে উদ্ভিদ ও প্রাণীকে সংরক্ষণ করা। ইন-সিটু পদ্ধতিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যমগুলো হলো—জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান, ইকোপার্ক, সাফারি পার্ক, অভয়ারণ্য, মৎস্য অভয়াশ্রম ইত্যাদি। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান রয়েছে। এগুলো হলো—ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান, মধুপুর জাতীয় উদ্যান, রামসাগর জাতীয় উদ্যান। চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজারে রয়েছে ইকোপার্ক। এ ছাড়া ডুলাহাজরা ও শ্রীপুরে সাফারি পার্ক রয়েছে। বাংলাদেশে মৎস্য ও বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রমও রয়েছে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অভয়াশ্রম হলো—টাঙ্গুয়ার হাওর, হাকালুকি হাওর, হালদা নদী
প্রভৃতি। এক্স-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে বোটানিক গার্ডেন, সিড ব্যাংক, জিন ব্যাংক, ডিএনএ ও পরাগরেণু সংরক্ষণ।
বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ দূষণকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। মানুষের অত্যাচারে এখন বনের পশুপাখিরাও টিকে থাকতে পারছে না। বনধ্বংস তো হচ্ছেই, ভরাট হয়ে যাচ্ছে জলাশয়। অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার, আগাছা নাশক, কীট নাশক, ছত্রাক নাশক ব্যবহারের ফলে অনেক জলজ ও স্থলজ প্রজাতি আজ বিলুপ্তির পথে। এতে করে নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। জলাভূমি ও বনভূমি উভয়ের হ্রাসের কারণে বহু প্রাণীর অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। ইতিমধ্যে নির্বাচিত সরকার কঠোর দ- রেখে সংসদে আইন পাস করেছেন। শুধু আইন পাস করলে হবে না, এর প্রয়োগও কঠোরভাবে করতে হবে। তবেই বাস্তুতন্ত্র উন্নত হবে।
লেখক : পরিবেশবিষয়ক লেখক