ফেলোশিপপ্রাপ্তদের সনদ প্রদান

বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্বকে সমৃদ্ধ করবে তরুণদের গবেষণা

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিনা আলম বলেছেন, বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্বের ক্ষেত্রকে আরও প্রসারিত ও সমৃদ্ধ করবে তরুণদের গবেষণাকর্ম। তিনি এই গবেষণালব্ধ ফলাফলগুলো ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ জোর দেন।

সোমবার ( ১১ মে) সকালে বঙ্গীয় শিল্পকলা চর্চার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র (ICSBA) কর্তৃক আয়োজিত ‘ICSBA Student Fellowship Programme’-এর সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন। 

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মিলনায়তনে সকাল ১০:৩০ মিনিট থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২:৩০ মিনিট পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে ফেলোশিপপ্রাপ্ত গবেষকদের মাঝে সনদ প্রদান এবং তাদের গবেষণাকর্ম উপস্থাপিত হয়। 

এশিয়ান ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মো: মোশাররফ হোসাইন ভূঁইয়া-এর সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিনা আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর যুগ্মসচিব (প্রশাসন) এবং বঙ্গীয় শিল্পকলা চর্চার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র-র সম্মানিত ট্রাস্টি জনাব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান। এছাড়া এই অনুষ্ঠানে ফেলোশিপপ্রাপ্ত পাঁচজন গবেষক ছাড়াও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ICSBA কর্তৃক আয়োজিত ‘ICSBA Student Fellowship Programme’-এর সনদ বিতরণ 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন এবং নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করার তাগিদ দেন।

ফেলোশিপপ্রাপ্ত গবেষকরা হলেন- বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের রবিউল ইসলাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তাসমিয়া আক্তার ও সাদিয়া আফরিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাজী রাফিদা ফারিয়া এবং এমআইএসটির স্থাপত্য বিভাগের মেহেদী হাসান। এসময় ফেলোশিপপ্রাপ্ত পাঁচজন গবেষক পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে তাদের গবেষণা উপস্থাপন করেন।