নার্সিং সেবায় উৎসাহিত করেছে ইসলাম

আজ আন্তর্জাতিক নার্স দিবস। চিকিৎসা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নার্সরা বিশ্ব জুড়ে অপরিহার্য হয়ে উঠেছেন। রোগীর শারীরিক পরিচর্যার পাশাপাশি মানসিক সাহস ও মানবিক সহানুভূতি দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা অনন্য। আধুনিক বিশ্বে নার্সিংকে মানবসেবার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে দেখা হলেও বহু আগেই ইসলাম রোগীর সেবা ও পরিচর্যাকে ইবাদতের মর্যাদা দিয়েছে। 

ইসলাম নার্সিং সেবায় উৎসাহিত করেছে। বিশেষ করে মহিলা রোগী, গর্ভবতী নারীদের বিশেষ পরিচর্যা এবং সন্তান ডেলিভারি সংক্রান্ত কাজে মহিলা নার্সের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

আমাদের কাছে আধুনিক নার্সিং বা রোগীসেবার জনক ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল। ১৮৫০ সালে ক্রাইমিয়ার যুদ্ধে ফ্লোরেন্স আহত সৈন্যদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। মানবসেবার ইতিহাসে তিনি অমর। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, ফ্লোরেন্সের প্রায় ১২০০ বছর আগে মদিনার আনসার নারীদের মধ্যে একজন মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করে ইসলামি ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

তিনি আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)-এর যুদ্ধে আহতদের সেবিকা হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। তার নাম রুফাইদা (রা.)। বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে নিজের তাঁবুতে তিনি তৈরি করেন ‘খিমাতু রুফাইদা’ বা রুফাইদার সেবাক্ষেত্র নামক অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্র।