পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। মিরপুরে প্রথম টেস্টে ১০৪ রানের দাপুটে জয়ের পর টাইগারদের নজর এখন সিলেটে। আগামী ১৬ মে থেকে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই অনুশীলনে নেমেছে দুই দল। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ওপেনিং জুটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
প্রথম টেস্টে ফিল্ডিং করার সময় ক্যাচ নিতে গিয়ে বুকে চোট পেয়েছিলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার সিলেটে দলীয় অনুশীলনে ব্যাটিং করার সময় সেই চোট আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। মাত্র কয়েক বল খেলার পরই ব্যথার কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় টেস্টে সাদমানের খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ। শুধু সাদমানই নন, মাহমুদুল হাসান জয়ও চোট সমস্যায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।
সাদমান ইসলামের বিকল্প হিসেবে তড়িঘড়ি করে দলে ডাকা হয়েছে বাঁহাতি ওপেনার জাকির হাসানকে। ব্যাকআপ ক্রিকেটার হিসেবে তাকে ইতোমধ্যেই সিলেটে উড়িয়ে আনা হয়েছে এবং আজ দলের সাথে অনুশীলন করতেও দেখা গেছে তাকে। টিম ম্যানেজমেন্ট আজ সন্ধ্যায় দুই ওপেনারের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে জাকিরকে মূল স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেছেন, 'আমাদের দুই ওপেনার সাদমান ও জয়ের চোট আছে। যদিও স্কোয়াডে আরেকজন ওপেনার আছে (তানজিদ হাসান), তবে শেষ পর্যন্ত ওরা দুজনই যদি খেলতে না পারে, তাহলে তো আরেকজন ওপেনারও লাগবে। এজন্যই মূলত জাকিরকে আজকে সকালে পাঠানো হয়েছে।'
'ওদের কাউকে যদি না পাই, তাহলে জাকিরকে দলে যোগ করা হবে। ওরা যদি খেলার মতো অবস্থায় থাকে, তাহলে জাকির বাইরে চলে যাবে। জাকির যেহেতু সাদা বলের ক্রিকেট খেলছিল, এজন্য লাল বলে মানিয়ে নিতে একদিন আগে পাঠিয়েছি ামরা। শেষ মুহূর্তে প্রয়োজন পড়লে যেন তৈরি থাকে।”
বাংলাদেশের হয়ে ১৩টি টেস্ট খেলেছেন জাকির। ২০২২ সালে অভিষেক টেস্টে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি ও পরের দুই টেস্টে ফিফটি করলেও সেই ধারা তিনি ধরে রাখতে পারেননি পরের সময়টায়। সবশেষ তাকে দেখা গেছে ২০২৪ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে।
চলতি ঢাকা লিগে গত রবিবার ১৩৭ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি।