৮ মাসের মধ্যে আবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৭ জুন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ঠিক করা হয়েছে। গতকাল ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনের প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে আগামী ২০ ও ২১ মে মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা এই দুই দিন মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।
এরপর মনোনয়নপত্র জমা বা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ ও ২৩ মে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং নির্ধারিত দিনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তামিমের অ্যাডহক কমিটি চ্যালেঞ্জ করে বুলবুল-ফারুকের রিট : বিসিবির নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে চেয়ারম্যান করে অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন করা হয়েছে। বিসিবির নির্বাচিত সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহসভাপতি ফারুক আহমেদ, পরিচালক খালেদ মাসুদ, আসিফ আকবরসহ ১২ জন রিটকারী হিসেবে এ আবেদন করেছেন। বিচারপতি ফাতেমা নাজিব ও বিচারপতি এএফএম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে ইতিমধ্যে মামলাটি পরিচালনার আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।
রিট আবেদন থেকে জানা যায়, তবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মাথায়, গত ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ৫ এপ্রিলের একটি বিশেষ তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচিত এ কমিটি ভেঙে দেয়। একই আদেশে সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল খানকে চেয়ারম্যান করে একটি নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। রিটকারী পরিচালকদের মূল অভিযোগ, বিসিবি ভেঙে দেওয়ার মতো এত বড় একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের কোনো প্রকার পূর্ব নোটিস দেওয়া হয়নি। এমনকি যে তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে কমিটি ভাঙা হলো, তার কোনো কপি বা শুনানির ন্যূনতম সুযোগও তাদের দেওয়া হয়নি। তারা কেবল সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন দেখেই বিষয়টি জানতে পারেন, যা সম্পূর্ণ একপেশে ও বেআইনি।
রিট আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো প্রকার আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পদ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।