বলো, দহনের কী দায় অযথা পোড়ায় খরায়
সে কুমার মিস্ত্রি মাটির দলায় আদল গড়ায়—
সেই থেকে হেলিওসের অগ্নিরথের গতির চাকায়
চক্ষুষ্মান এই আমি স্থির ঘড়ির কাঁটায়
অহোরাত্র বেঁচে আছি বেঁচে না থাকায়
আমার নির্জনতার গ্লাসে তোমার তৃষ্ণার বিন্দু রেখা
নোনতা জলের লেবু স্বাদে—মার্গারিটা
ঠোঁটের কিনারে চিকচিক চৈত্রের নুন—
শীতল দহনে জ্বলে টেকিলার নীলাভ আগুন
বৈশাখী ঢাকের বোলে রঞ্জিত পলাশ
দেহের শিরায় চৈত্রসংক্রান্তির ডাক
চৈতন্যে গোলাপি আঙুলের নীহারিকা
কেউ কি এমন আছে আজ
ভেজাবে আমায় বাসনার ওশেনাসে?