আস্থা ও বিক্রয়োত্তর সেবায় নতুন মানদ- এসকোয়্যার

বাংলাদেশে রেফ্রিজারেটর ও চেস্ট ফ্রিজারের বাজার দিন দিন প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে। আধুনিক প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাদ্য ও অন্য পচনশীল পণ্য সংরক্ষণ এবং নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা এসব দিক থেকে গ্রাহকের প্রত্যাশাও এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় এসকোয়্যার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড। নিজেদের শুধু একটি পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ কাস্টমার সল্যুশন ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

রেফ্রিজারেটর ও চেস্ট ফ্রিজার কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহক মূলত কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেন?

তানবীর আহমেদ : বর্তমান সময়ে রেফ্রিজারেটর বা চেস্ট ফ্রিজার কেনা শুধুমাত্র একটি ইলেকট্রনিক পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। গ্রাহকরা এখন পণ্যের বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, স্থায়িত্ব, স্বাস্থ্যকর খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং বিক্রয়োত্তর সেবার বিষয়গুলোকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন।

বাংলাদেশের বাজারে সাধারণত দুই ধরনের ফ্রিজার বেশি জনপ্রিয় চেস্ট ফ্রিজার এবং আপরাইট ফ্রিজার। ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এদের ব্যবহার ভিন্ন।

চেস্ট ফ্রিজার সাধারণত বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন হয় এবং বড় আকারের মাছ, মাংস কিংবা দীর্ঘসময় ফ্রোজেন ফুড সংরক্ষণের জন্য উপযোগী। অন্যদিকে আপরাইট ফ্রিজার কম জায়গা নেয় এবং আলাদা ড্রয়ার বা কম্পার্টমেন্ট থাকার কারণে খাবার গুছিয়ে রাখা সহজ হয়।

গ্রাহকরা এখন পরিবারের সদস্যসংখ্যা, খাদ্য সংরক্ষণের ধরন এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে লিটার বা সিএফটি হিসাব করে পণ্য নির্বাচন করেন। ছোট পরিবারের জন্য ১০০ থেকে ১৫০ লিটারের মডেল জনপ্রিয় হলেও বড় পরিবারের জন্য ২০০ লিটার বা তার বেশি ধারণক্ষমতার পণ্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।

বর্তমান গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত কুলিং, দ্রুত বরফ তৈরির ক্ষমতা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় দীর্ঘক্ষণ ঠা-া ধরে রাখার সক্ষমতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করেন।

শক্তিশালী বডি, উন্নতমানের কমপ্রেসর, কপার কনডেনসার এবং দীর্ঘমেয়াদি ওয়ারেন্টি এখন গ্রাহকের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিক্রয়োত্তর সেবা একটি ব্র্যান্ডকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখে। গ্রাহকরা এখন শুধু পণ্য কিনতে চান না। তারা চান দ্রুত সাড়া এবং দক্ষ টেকনিশিয়ানের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য সেবা।

 বর্তমানে রেফ্রিজারেটর ও চেস্ট ফ্রিজারে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে?

তানবীর আহমেদ : বর্তমান যুগের রেফ্রিজারেটর শুধুমাত্র কুলিং এপলায়েন্স নয়; এগুলো এখন স্মার্ট, জ¦ালানি সাশ্রয়ী, এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সমন্বয়- ডিজিটাল ইনভার্টার টেকনোলজিতে বিদ্যুৎ খরচ কম এবং শব্দও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। টুইন কুলিং ও মাল্টি এয়ার ফ্লো প্রযুক্তির কারণে খাবার দীর্ঘসময় টাটকা থাকে এবং খাবারের গন্ধ এক অংশ থেকে অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে না। ন্যানো ডিওডোরাইজার প্রযুক্তি ফ্রিজের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। থার্মাল লকিং প্রযুক্তির কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলেও দীর্ঘসময় ঠা-া ধরে রাখা যায়। অল্প সময়ে দ্রুত কুলিং নিশ্চিত করতে... স্মার্ট সেন্সর ও ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহারকারীকে সহজে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেয়।

স্থানীয় বাজারে আপনাদের ব্র্যান্ডের অবস্থান কেমন?

বাংলাদেশের বাজারে এই ব্র্যান্ডের পণ্যের অবস্থান বেশ শক্ত। এর কারণগুলো হলো বিদ্যুতের ভোল্টেজ ওঠানামাসহ বিভিন্ন বিবেচনায় উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, সাশ্রয়ী মূল্যে স্থানীয় পরিবেশ উপযোগী আন্তর্জাতিক মানের পণ্য, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা আমরা দিয়ে থাকি।