যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা ফৌজদারি তদন্ত চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। নতুন এই তদন্তে তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেওয়ার সময়ও ফ্লোরিডাভিত্তিক এই তদন্ত সক্রিয় ছিল। ওই অভিযানে ৬৩ বছর বয়সী মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করা হয়। তদন্তে সম্ভাব্য অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে সূত্র।
এ বিষয়ে মাদুরোর আইনজীবী ও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের মুখপাত্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ প্রথম এই দ্বিতীয় তদন্তের খবর প্রকাশ করে। তবে তদন্তটি শেষ পর্যন্ত নতুন অভিযোগে গড়াবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এর আগে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসবাদ ষড়যন্ত্র ও মাদক পাচার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়। তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। বর্তমানে তিনি ব্রুকলিনের একটি কারাগারে বিচার শুরুর অপেক্ষায় রয়েছেন।
২০২০ সালে দায়ের করা নিউইয়র্কের ওই মামলাকেই জানুয়ারিতে কারাকাসে চালানো মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানের আইনি ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। নিউইয়র্কের মামলায় আইনি জটিলতা তৈরি হলে ফ্লোরিডার এই তদন্ত বিচার বিভাগের জন্য বিকল্প পথ হিসেবে কাজ করতে পারে। মার্চ মাসে ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে আরও অভিযোগ আনা হতে পারে।